ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পরশুরামে স্কুল শিক্ষার্থী বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটে মৃত্যু নওগাঁয় খাবারের প্রলোভনে শিশুকে ধর্ষণ রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আহত ৪, লুট ১২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও বাড়েনি গণপরিবহনের ভাড়া সুনামগঞ্জের বিদ্যুতের মেরামত করতে গিয়ে কৃষকের মৃত্যু নেত্রকোনায় স্ত্রীর হাত-পায়ের রগ কেটে দেয়ার অভিযোগে স্বামী আটক নগরীর আইডিয়াল মোড় সংলগ্ন মহাসড়কে বাসচাপায় ঠিকাদার নিহত খুলনায় নিজ রাইফেলের গুলিতে পুলিশ সদস্যের আত্মহত্যা বৈশাখের ঝড় ও বজ্রপাতে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশংকা কৃষি জমির টপসয়েল কাটা বাধা দিলেন ইউপি সদস্য রহিম উল্লাহ আমজাদহাটে জনমনে স্বস্তি

ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী কে এই শামিম, আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ

মজনু শেরপুর(বগুড়া) বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ২৭০ বার পড়া হয়েছে

ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী কে এই শামিম, আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

বগুড়া  শেরপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার ভেজাল ডিওআরবি পশু খাদ্য ব্যবসায়ী শামিম ড্রাইভার রাতারাতি বড় লোক এ যেনো আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসায়ী শামিম ড্রাইভার ছিলেন একজন সাধারণ বেগুন বিক্রতা। হাটে বাজারে ঘরোয়া করে বসে বেগুন বিক্রি করেই কোনো রকম চলতো সংসার। বেগুন বিক্রি ছেরে দিয়ে যোগদান করে গাড়ি ডিপার্টমেন্টে,প্রথমে শেরপুরের সিনিয়র ড্রাইভার আকবর আলী ড্রাইভারের সাথে হেলপার পোষ্টে যোগদান করেন ও কয়েক বছর গাড়ির হেলপারি করে তিনি ড্রাইভার পোষ্টে যোগদান করে ও পাশাপাশি বিএনপি রাজনীতিতে যোগদানের মধ্যে দিয়ে গাড়ির ড্রাইভাররি ছেরে দিয়ে, নিজ এলাকা খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় গড়ে তুলে একাধিক লাঠিয়াল বাহিনী গ্রুপ। পরবর্তীকালে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম নিজের অপকর্ম আড়ালে রাখতে শুরু করে থানার দালালি।নিজের কু কাণ্ড আড়াল রাখতে মিশতে শুরু করে হ্মমতাশীন রাজনৈতিক নেতা ও শেরপুরের কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে।

২০০১ সালের ৬ মাস চলতি মৌসুমে শেরপুরের কয়েকজন সাংবাদিককে ম্যানেজ করে শুরু করে ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামিদামি কম্পানিতে সরবরাহ হয় তার ভেজাল ডিওআরবি গো-খাদ্য। শুরু হয় তার আয়ের উৎসতা,ডিওআরবির ভিতর বালি মাটি ও পোড়া মাটির মত দেখতে একধরনের পাতলা আবরণ মিশ্রণ করে ভোক্তাদের ফাঁকি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। হয়ে ওঠেছে টাকার কারিগর।
জানা যায়,তার ভেজাল ডিওআরবির কয়েকটি গুদাম থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ টি ট্রাক লোড আনলোড করা হয়। যা প্রতি গাড়ি থেকে আয় হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। গাড়ি প্রতি ২৫ হাজার টাকা ইনকামের উৎসতা হলো পুশু খাদ্য ডিওআরবির মাঝে ভেজাল মিশ্রণের মধ্যে দিয়ে।
গত কয়েকদিন আগে প্রায় ৭২ লাক্ষ টাকা মুল্যের কয়েকটি বড় ট্রাক ৩৮ লাখ টাকা নগদ দিয়ে নিজের নামে ডিট করে নিয়েছে। গাড়ি গুলো তার ভেজাল ডিওআরবি বহন করা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।সেই সাথে নিজের নাম লিখিয়াছেন শেরপুরের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায়।

সরকারি অনুমতি বিহীন কোন রকম কাগজপত্র ছাড়াই তিনি রাতদিন সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে এই ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা। এতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে দেশের গরু ও ছাগলের খামারিরা।
এর আগে বগুড়া জেলা ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে তার গুদামে ডিওআরবির মাঝে বালি ও পোড়া মাটির মত দেখতে আবরণ মিশ্রণের প্রমাণ পেয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা সহ গুদামটি সিল গালা করে দেয়।

দেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে সবকিছু ম্যানেজ করে আবারো শুরু করেছে এই ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা।
খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা তথ্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের প্রাণ নাশের হুমকি ও লান্সিচিত করে ভিডিও ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।এরি প্রেহ্মিতে শেরপুর থানায় গত ৩০/১/২০২৩ তারিখে একটি মামালা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সংবাদকর্মীরা।সেই মামলার প্রহ্মিতে ওই দিনেই অভিযান চালিয়ে ছিনতাই করে নেওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার সহ ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিমকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর থানা পুলিশ,পাঠিয়ে দেওয়া হয় বগুড়ার জেল হার্জতে। আদালত থেকে খুব সহজেই জামিনে মুক্তি পায় ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম।জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো শুরু হয়েছে তার ভেজাল ডিওআরবির বানিজ্য,সেই সাথে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত মামলার সাক্ষীদের।
একজন সাধারণ বেগুন বিক্রিতা থেকে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ীর মধ্যে দিয়ে রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হওয়ায় শেরপুরে বিভিন্ন মহলে চলছে চলছে নানা গুঞ্জন।
সুনিশ্চিত তদন্ত করে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম এর রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা সহ ডিওআরবির ভিতরে বালি ও পোড়া মাটির মত দেখতে আবরণ মিশ্রণ কারীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও বগুড়ার পুলিশ সুপার ও জেলা ভোক্তা অধিকার সহ দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মহোদয়ের প্রতি অনুরোধ করেন সচেতন মহলের লোকজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী কে এই শামিম, আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ

আপডেট সময় : ০৩:১৫:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৩
print news

বগুড়া  শেরপুর উপজেলার গোপালপুর এলাকার ভেজাল ডিওআরবি পশু খাদ্য ব্যবসায়ী শামিম ড্রাইভার রাতারাতি বড় লোক এ যেনো আঙ্গুল ফোলে কলাগাছ হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়,ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসায়ী শামিম ড্রাইভার ছিলেন একজন সাধারণ বেগুন বিক্রতা। হাটে বাজারে ঘরোয়া করে বসে বেগুন বিক্রি করেই কোনো রকম চলতো সংসার। বেগুন বিক্রি ছেরে দিয়ে যোগদান করে গাড়ি ডিপার্টমেন্টে,প্রথমে শেরপুরের সিনিয়র ড্রাইভার আকবর আলী ড্রাইভারের সাথে হেলপার পোষ্টে যোগদান করেন ও কয়েক বছর গাড়ির হেলপারি করে তিনি ড্রাইভার পোষ্টে যোগদান করে ও পাশাপাশি বিএনপি রাজনীতিতে যোগদানের মধ্যে দিয়ে গাড়ির ড্রাইভাররি ছেরে দিয়ে, নিজ এলাকা খানপুর ইউনিয়নের গোপালপুর এলাকায় গড়ে তুলে একাধিক লাঠিয়াল বাহিনী গ্রুপ। পরবর্তীকালে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম নিজের অপকর্ম আড়ালে রাখতে শুরু করে থানার দালালি।নিজের কু কাণ্ড আড়াল রাখতে মিশতে শুরু করে হ্মমতাশীন রাজনৈতিক নেতা ও শেরপুরের কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে।

২০০১ সালের ৬ মাস চলতি মৌসুমে শেরপুরের কয়েকজন সাংবাদিককে ম্যানেজ করে শুরু করে ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামিদামি কম্পানিতে সরবরাহ হয় তার ভেজাল ডিওআরবি গো-খাদ্য। শুরু হয় তার আয়ের উৎসতা,ডিওআরবির ভিতর বালি মাটি ও পোড়া মাটির মত দেখতে একধরনের পাতলা আবরণ মিশ্রণ করে ভোক্তাদের ফাঁকি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। হয়ে ওঠেছে টাকার কারিগর।
জানা যায়,তার ভেজাল ডিওআরবির কয়েকটি গুদাম থেকে প্রতিদিন প্রায় ২৫ থেকে ৩০ টি ট্রাক লোড আনলোড করা হয়। যা প্রতি গাড়ি থেকে আয় হয় প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। গাড়ি প্রতি ২৫ হাজার টাকা ইনকামের উৎসতা হলো পুশু খাদ্য ডিওআরবির মাঝে ভেজাল মিশ্রণের মধ্যে দিয়ে।
গত কয়েকদিন আগে প্রায় ৭২ লাক্ষ টাকা মুল্যের কয়েকটি বড় ট্রাক ৩৮ লাখ টাকা নগদ দিয়ে নিজের নামে ডিট করে নিয়েছে। গাড়ি গুলো তার ভেজাল ডিওআরবি বহন করা কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।সেই সাথে নিজের নাম লিখিয়াছেন শেরপুরের ধনী ব্যক্তিদের তালিকায়।

সরকারি অনুমতি বিহীন কোন রকম কাগজপত্র ছাড়াই তিনি রাতদিন সমান তালে চালিয়ে যাচ্ছে এই ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা। এতে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে দেশের গরু ও ছাগলের খামারিরা।
এর আগে বগুড়া জেলা ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে তার গুদামে ডিওআরবির মাঝে বালি ও পোড়া মাটির মত দেখতে আবরণ মিশ্রণের প্রমাণ পেয়ে ২ লাখ টাকা জরিমানা সহ গুদামটি সিল গালা করে দেয়।

দেশের আইনকে তোয়াক্কা না করে সবকিছু ম্যানেজ করে আবারো শুরু করেছে এই ভেজাল ডিওআরবির ব্যবসা।
খবর পেয়ে সংবাদকর্মীরা তথ্য নিতে গেলে সাংবাদিকদের প্রাণ নাশের হুমকি ও লান্সিচিত করে ভিডিও ক্যামেরা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।এরি প্রেহ্মিতে শেরপুর থানায় গত ৩০/১/২০২৩ তারিখে একটি মামালা দায়ের করেন ভুক্তভোগী সংবাদকর্মীরা।সেই মামলার প্রহ্মিতে ওই দিনেই অভিযান চালিয়ে ছিনতাই করে নেওয়া মোবাইল ফোন উদ্ধার সহ ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিমকে গ্রেপ্তার করে শেরপুর থানা পুলিশ,পাঠিয়ে দেওয়া হয় বগুড়ার জেল হার্জতে। আদালত থেকে খুব সহজেই জামিনে মুক্তি পায় ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম।জামিনে মুক্তি পেয়ে আবারো শুরু হয়েছে তার ভেজাল ডিওআরবির বানিজ্য,সেই সাথে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছে তার বিরুদ্ধে দায়ের কৃত মামলার সাক্ষীদের।
একজন সাধারণ বেগুন বিক্রিতা থেকে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ীর মধ্যে দিয়ে রাতারাতি কোটি টাকার মালিক হওয়ায় শেরপুরে বিভিন্ন মহলে চলছে চলছে নানা গুঞ্জন।
সুনিশ্চিত তদন্ত করে ভেজাল ডিওআরবি ব্যবসায়ী শামিম এর রাতারাতি কোটিপতি হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা সহ ডিওআরবির ভিতরে বালি ও পোড়া মাটির মত দেখতে আবরণ মিশ্রণ কারীর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে বগুড়া জেলা প্রশাসক ও বগুড়ার পুলিশ সুপার ও জেলা ভোক্তা অধিকার সহ দুদকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মহোদয়ের প্রতি অনুরোধ করেন সচেতন মহলের লোকজন।