ঢাকা ১০:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চন্দ্রগন্জ বাজারে ওজনে কম দিয়ে গরুর মাংস বিক্রি করাতে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতাগন।

আরিফুর রহমান তীব্র,দৈনিক যখন সময় প্রতিনিধি।
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫ ১৮০ বার পড়া হয়েছে

চন্দ্রগন্জ বাজারে ওজনে কম দিয়ে গরুর মাংস বিক্রি করাতে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতাগন।

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আরিফুর রহমান তীব্র,দৈনিক যখন সময় প্রতিনিধি।

একজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, চন্দ্রগন্জ বাজারে এক কেজি গরুর মাংস কিনলে আমাদের কে ৭৫০ গ্রাম মাংস দিয়ে থাকে। প্লাস্টিকের একটি বলে করে ওজন দেয় তারা, সেটার ওজন মাংসের দোকানদার মাইনাস করেন না। তারপরে প্লাস্টিকের বল সহ এক কেজি গরুর মাংস মাপ দেওয়ার পর ১০০ গ্রাম চর্বি ফ্রী দিয়ে থাকে ক্রেতা কে খুশি করানোর জন্য । ক্রেতা বাসায় গিয়ে দেখলেন হাঁড় চর্বি সহ এক কেজি হচ্ছেনা। হলেও সেখানে ফ্রি চর্বি আর হাঁড় বাদ দিলে ৬৫০ গ্রাম মাংস পাওয়া যায়।
এভাবেই তারা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের ঠকিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই চুরির প্রতিবাদ করলে তারা ক্রেতাদের কাছে মাংস বিক্রি করবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিটি দোকানদার একই স্টাইলে বিক্রি করার কারনে বাধ্য হয়ে ক্রেতাকে এভাবে কিনতে হচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব ঘটলেও কোন এক অজানা কারনে তারা চুপ হয়ে আছেন।ভোক্তা অধিকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন ঐই ক্রেতা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

চন্দ্রগন্জ বাজারে ওজনে কম দিয়ে গরুর মাংস বিক্রি করাতে প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতাগন।

আপডেট সময় : ০৫:৪৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
print news

আরিফুর রহমান তীব্র,দৈনিক যখন সময় প্রতিনিধি।

একজন ক্রেতা অভিযোগ করে বলেন, চন্দ্রগন্জ বাজারে এক কেজি গরুর মাংস কিনলে আমাদের কে ৭৫০ গ্রাম মাংস দিয়ে থাকে। প্লাস্টিকের একটি বলে করে ওজন দেয় তারা, সেটার ওজন মাংসের দোকানদার মাইনাস করেন না। তারপরে প্লাস্টিকের বল সহ এক কেজি গরুর মাংস মাপ দেওয়ার পর ১০০ গ্রাম চর্বি ফ্রী দিয়ে থাকে ক্রেতা কে খুশি করানোর জন্য । ক্রেতা বাসায় গিয়ে দেখলেন হাঁড় চর্বি সহ এক কেজি হচ্ছেনা। হলেও সেখানে ফ্রি চর্বি আর হাঁড় বাদ দিলে ৬৫০ গ্রাম মাংস পাওয়া যায়।
এভাবেই তারা প্রতিনিয়ত ক্রেতাদের ঠকিয়ে যাচ্ছে। তাদের এই চুরির প্রতিবাদ করলে তারা ক্রেতাদের কাছে মাংস বিক্রি করবে না বলে জানিয়েছেন প্রতিটি দোকানদার একই স্টাইলে বিক্রি করার কারনে বাধ্য হয়ে ক্রেতাকে এভাবে কিনতে হচ্ছে। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব ঘটলেও কোন এক অজানা কারনে তারা চুপ হয়ে আছেন।ভোক্তা অধিকারের সুদৃষ্টি কামনা করেন ঐই ক্রেতা।