রূপগঞ্জে ঈদ উপলক্ষে তেল ও রাসায়নিক পদার্থ মুক্ত চাক সেমাই তৈরির হিড়িক
- আপডেট সময় : ১০:৪১:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ মার্চ ২০২৫ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

সিফাতুল মারুফ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চলছে রমজান মাস। এ যেন ঈদুল ফিতরের আগমনী বার্তা। আর ঈদুল ফিতর মানেই যেন নানারকম সেমাই ও পিঠা ।আর ঈদে সেমাই খাওয়ার রীতি বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য ।এটি ঈদ উদযাপনের আনন্দকে বাড়িয়ে তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদ উপলক্ষে রূপগঞ্জের চারিতাল্লুক গ্রামে কারিগরদের নিপুণ হাতে নানান ধরনের শৈল্পিক চাক সেমাই তৈরির হিড়িক পড়েছে।ঐতিহ্যবাহী এই সেমাই তৈরিতে বর্তমানে ৬০টি পরিবার নিয়োজিত রয়েছে। যারা প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ মণ সেমাই উৎপাদন করছেন। এই সেমাই জেলার সীমানা পেরিয়ে গাজীপুর, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে।
আর এই হাতে তৈরি চাক সেমাইয়ের বিশেষত্ব হলো এতে কোনো তেল বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। যা স্বাস্থ্যসচেতন ভোক্তাদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। স্থানীয় কারিগররা মনে করেন, সরকারি সহায়তা পেলে রূপগঞ্জের এই সেমাই একটি ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নামে এক কারিগর বলেন:
ঈদ উপলক্ষে সেমাইয়ের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, কারিগররা সকাল-সন্ধ্যা নিরলস পরিশ্রম করছেন। তবে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই ঐতিহ্যবাহী সেমাই শিল্পটি বিলুপ্তির পথে। তাই, এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর স্বকীয়তা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
আর এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করছে। এছাড়া, ভোক্তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সার্বিকভাবে, রূপগঞ্জের তেল ও রাসায়নিক পদার্থমুক্ত হাতে তৈরি সেমাই ঈদ উৎসবে একটি বিশেষ সংযোজন, যা ভোক্তাদের স্বাদ ও স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নের প্রতিফলন।



















