ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) কোনো ছাড় দেওয়ার আগ্রহ নেই জামায়াতে ইসলামীর। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে লড়লেও, এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দুই দলই আলাদা মেয়র প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। শুধু এই দুই দলই নয়, ১১-দলীয় ঐক্যের অন্যান্য শরিক দলগুলোও তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। তবে স্থানীয় নির্বাচনে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও রাজনৈতিক ঐক্য অটুট রেখে একসঙ্গে কর্মসূচি পালনের কথা জানিয়েছেন দলগুলোর নেতারা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১১-দলীয় ঐক্য স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচনে আলাদাভাবে অংশ নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দলীয় প্রতীকে ভোট না হওয়া এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রার্থী বাছাইয়ের বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে কোনো নির্বাচনী এলাকায় শরিক দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করতে চাইলে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা দেওয়া হবে না। জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার শুক্রবার প্রথম আলোকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই জোট গঠিত হয়েছিল, কিন্তু স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুধু ঢাকার দুই সিটি নয়, সারা দেশের সব সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ক্ষেত্রে এ নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
জামায়াতের নেতারা জানান, স্থানীয় পর্যায়ে দলের জেলা ও উপজেলার দায়িত্বশীল নেতারা প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করছেন। তাঁদের হিসাবে, এরই মধ্যে ৭০–৭৫ শতাংশ প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে এবং সিটি করপোরেশনের প্রার্থীর নাম প্রায় চূড়ান্ত, যা আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্র থেকে জানানো হবে। দলীয় সূত্রমতে, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে দলের ঢাকা মহানগর আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে ডাকসুর সাবেক ভিপি মো. আবু সাদিককে (সাদিক কায়েম) মেয়র পদে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। সেলিম উদ্দিন ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে কাজ শুরু করেছেন।
অন্যদিকে এনসিপি আনুষ্ঠানিকভাবে নাম ঘোষণা না করলেও, ঢাকা উত্তর সিটিতে দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রার্থী হবেন বলে জানা গেছে। এনসিপি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এককভাবে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এছাড়া ১১-দলীয় ঐক্যের শরিক বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ঢাকার দুই সিটিতে চারজন সম্ভাব্য প্রার্থী থেকে যাচাই-বাছাই করে দুজনকে চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় আছে। এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু জানিয়েছেন, তাঁদের দলের প্রার্থীরাও নির্বাচনে থাকবেন। তবে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) এখনো এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বিল্লাল হোসেন মিয়াজী জানিয়েছেন।
১১-দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, কেন্দ্রীয়ভাবে সমঝোতা না হলেও স্থানীয় পর্যায়ে শরিকদের সমঝোতার সুযোগ থাকছে। তিনি দ্রুত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। জামায়াত ও এনসিপির সূত্রগুলো বলছে, নির্বাচনে আলাদা প্রার্থী দিলেও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংকটসহ জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে তারা ঐক্যবদ্ধ থাকবে। ক্ষমতাসীন দল বা নির্বাচন কমিশন কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করলে জোটবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করার বিষয়েও তারা একমত পোষণ করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৮ উইকেটের ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।…
ঢাকার ধানমন্ডি এলাকায় ফুটপাতে এক ব্যক্তিকে মারধরের ঘটনায় খালিদ হাসান নামের এক যুবককে ১৫ দিনের…
চিকিৎসা শেষে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। বুধবার রাতে বিমান…
সরকার শিক্ষা ও জনপ্রশাসনসহ দুটি মন্ত্রণালয় এবং একটি বিভাগের তিন সচিবকে সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা দিয়েছে।…
মাদারগঞ্জে অনুকূল আবহাওয়ায় এ বছর শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। পাশাপাশি বাজারে সন্তোষজনক দাম পাওয়ায় কৃষকদের…
জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে অনুকূল আবহাওয়ার কারণে চলতি মৌসুমে শসার বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রায় ৬০ হেক্টর…
This website uses cookies.