রাজধানীর উত্তরায় ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটি, ঢাকার উদ্যোগে 'প্রশ্নোত্তরভিত্তিক অংশগ্রহণমূলক শিক্ষাপদ্ধতি: রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কর্মপদ্ধতি ও শিক্ষাক্ষেত্রে তার প্রাসঙ্গিকতা' শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার আইইএস কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে শিক্ষাবিদ ও গবেষকরা অভিমত ব্যক্ত করেন যে, প্রায় দেড় হাজার বছর আগে রাসুলুল্লাহ (সা.) যে প্রশ্নোত্তর, সংলাপ ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষাকৌশল প্রয়োগ করেছিলেন, তার সঙ্গে আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিকতা, উচ্চতর চিন্তন, সৃজনশীলতা ও সংলাপভিত্তিক পদ্ধতির গুরুত্বপূর্ণ সাদৃশ্য রয়েছে। বক্তাদের মতে, মহানবীর এই শিক্ষাদান পদ্ধতি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন দিশা দিতে সক্ষম।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রুহুল আমীন রব্বানী। প্যানেল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম এবং বিএমটিটিআইয়ের ভাইস প্রিন্সিপাল ড. মুহাম্মদ নূরুল্লাহ। ইসলামিক এডুকেশন সোসাইটি, ঢাকার চেয়ারম্যান মো. শফিউল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি মডারেট করেন সোসাইটির পরিচালক ড. আহসান হাবীব ইমরোজ। এছাড়া সেমিনারে নির্বাচিত আলোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এবিএম গোলাম মুস্তফা, ড. মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ এবং হাবীবুল্লাহ মুহাম্মাদ ইকবাল।
সেমিনারে উপস্থাপিত গবেষণায় কোরআন ও হাদিসের আলোকে প্রশ্নোত্তরভিত্তিক শিক্ষার বিভিন্ন ধারা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। সেখানে দেখা যায়, কখনো সাহাবিগণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে প্রশ্ন করেছেন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তার উত্তর এসেছে; আবার কখনো তিনি নিজেই সাহাবিদের প্রশ্ন করে তাদের কাছ থেকে উত্তর গ্রহণ করেছেন। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার জন্য তথ্য মুখস্থ করানোর পরিবর্তে তাদের প্রশ্ন করতে, যুক্তি দিয়ে ভাবতে, মতামত প্রকাশ করতে, অন্যের বক্তব্য শুনতে এবং বাস্তব সমস্যার সমাধান খুঁজতে সক্ষম করে তোলা জরুরি। এ ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর শিক্ষামডেল ইসলামি শিক্ষাদর্শন ও আধুনিক শিক্ষাবিজ্ঞানের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি করতে পারে।
গবেষণায় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নবীজি (সা.)-এর শিক্ষাপদ্ধতিতে প্রশ্নের পাশাপাশি ওহি, নৈতিকতা ও ঈমানি মূল্যবোধ ছিল জ্ঞান নির্মাণের চূড়ান্ত নির্দেশক, যা আধুনিক শিক্ষাতত্ত্বের সঙ্গে এর একটি মৌলিক পার্থক্য। আলোচকরা মনে করেন, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক, গবেষক, মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে এ বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা তৈরি হলে দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে আরও কার্যকর, শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক ও মূল্যবোধনির্ভর শিক্ষাপদ্ধতি বিকাশের পথ সুগম হবে।
সিলেটের গোয়াইনঘাটে হাদারপার-দমদমা সড়কের মাঝখানে ৯০টি গাছ রেখেই চলছে আরসিসি ঢালাইয়ের কাজ। এতে সড়কের স্থায়িত্ব…
ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ঘোষপুর ইউনিয়নের লংকারচর নীচুপাড়া এলাকায় মধুমতি নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও ফসলি জমি…
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বাকি বিল্লাহর বিরুদ্ধে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহের বিজয়ী শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পুরস্কারের…
নেপালে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট প্রলয়ংকরী বন্যায় এখন পর্যন্ত ৪৭২ জনের প্রাণহানি হয়েছে। দুর্গম এলাকায় উদ্ধার…
তরুণ লেখকদের উৎসাহিত করতে ও নতুন লেখক তৈরির লক্ষ্যে কারওয়ান বাজারে প্রথম আলো কার্যালয়ে শুরু…
সিলেটে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে হাসপাতালের…
This website uses cookies.