ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াইয়ের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও তাদের জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মধ্যে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। এই সিটিতে জামায়াত সাবেক ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত প্রায় চূড়ান্ত করায় এনসিপির প্রার্থী ও দলের মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
এর আগে গত ২৯ মার্চ পাঁচ সিটির মেয়র প্রার্থী ঘোষণার সময় ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছিল এনসিপি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম এই সমন্বয়ক গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করে এনসিপিতে যোগ দেন। তবে জামায়াত সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার পর এটি স্পষ্ট যে, ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদ জামায়াতের সমর্থন পাচ্ছেন না। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে আসিফ মাহমুদ প্রার্থী হতে চাইলেও জামায়াতের আপত্তির কারণে তিনি শেষ পর্যন্ত ভোটে অংশ নেননি।
এনসিপির শীর্ষ নেতাদের দাবি, উপদেষ্টার দায়িত্ব পালনের সময় আসিফ মাহমুদের কিছু ভূমিকা এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা নানা অভিযোগের কারণে তাঁকে সমর্থন দিতে আপত্তি জানিয়েছিল জামায়াত। তবে এনসিপি বর্তমানে এককভাবেই স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতোমধ্যে তারা ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণসহ পাঁচ সিটি এবং ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
নির্বাচনী জোট ও সমঝোতার বিষয়ে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব জানান, তফসিল ঘোষণার পর বা আগে যদি জাতীয়ভাবে প্রয়োজন মনে হয়, তবে বিরোধী দলগুলোর বিজয়ী হওয়ার স্বার্থে শীর্ষ নেতাদের মধ্যে সমঝোতা হতে পারে। তবে বর্তমানে প্রতিটি দলই নিজেদের সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে ব্যস্ত।
এদিকে, নতুন রাজনৈতিক মেরুকরণের অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা করেছেন আসিফ মাহমুদ। মামুনুল হকের দলও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যে রয়েছে। এনসিপির একটি সূত্র জানায়, যদি নতুন কোনো সম্ভাব্য জোটের মাধ্যমে ঢাকা দক্ষিণে আসিফ মাহমুদকে ইসলামী আন্দোলন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সমর্থন দেয়, আর উত্তর সিটিতে মামুনুল হককে ইসলামী আন্দোলন ও এনসিপি সমর্থন দেয়, তবে নতুন এক পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। আর যদি এনসিপি জামায়াত জোটেই থাকে, তবে ঢাকার দুই সিটির একটি এবং আসিফ মাহমুদের নিজ জেলা কুমিল্লার কোনো সিটে তারা সমর্থন চাইবে।
অন্যদিকে, জামায়াতের প্রার্থী সাদিক কায়েম গত ২২ জুন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে ঢাকা দক্ষিণের জন্য প্রাথমিকভাবে চূড়ান্ত হন। এরপর নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবে গত ১৩ জুলাই তিনি ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। এর আগে সংসদ নির্বাচনে জামায়াত জোটের হয়ে ৩০টি আসনে লড়াই করে ৬টিতে জিতেছে এনসিপি। আসিফ মাহমুদ মনে করেন, মাত্র ৩০টি আসনে লড়ার কারণে তৃণমূল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাই এবার স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অন্তত ৭০ শতাংশ জায়গায় প্রার্থী রাখতে চায় এনসিপি। নিজের প্রার্থিতা নিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী এবং তফসিল ঘোষণার কাছাকাছি সময়ে জোট বা সমঝোতার বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে উপকূলীয় এলাকায় দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার সৃষ্টি করছে। সমুদ্রবন্দরে…
বরগুনার তালতলীতে পূবালী ব্যাংক পিএলসির ‘বাংলা কিউআর’ ও ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার এ…
দুবাই থেকে মুম্বাইগামী ইন্ডিগোর একটি যাত্রীবাহী বিমান কার্গো হোল্ডে ধোঁয়া শনাক্ত হওয়ার পর গুজরাটের রাজকোট…
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমানে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার চেয়ে ভুল…
চট্টগ্রামের পটিয়ায় নিখোঁজের দুদিন পর মো. জায়হান নামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার…
ভারতে প্রশ্নফাঁস ও অনিয়ম রোধে লোকসভায় পেশ করা হয়েছে কঠোর সংশোধনী বিল। এতে দোষীদের জন্য…
This website uses cookies.