চট্টগ্রাম মহানগরীর আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমনকে তিন সহযোগীসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে যশোর সদর উপজেলার ঝুমঝুমপুর এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে তাদের আটক করা হয়। বুধবার সকাল ১০টার দিকে তাদের চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন—চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মো. মুসার ছেলে মোবারক হোসেন ইমন ওরফে ডেভিড ইমন (২৫), ঢাকার শ্যামপুরের মোহাম্মদ জাফরের ছেলে ইসলাম আলিফ ওরফে তমাল (২৫), ঢাকার মতিঝিলের আব্দুল মান্নানের ছেলে মো. শামিম (২৮) এবং ঢাকার যাত্রাবাড়ীর বেলায়েত হোসেনের ছেলে সাফায়েত হোসেন (২৮)। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ডিবি ও থানা পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন যে, তারা যশোর হয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
চট্টগ্রাম নগরীসহ রাউজান, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলায় চাঁদাবাজি ও হামলার নেপথ্যে বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরা সক্রিয়। সাজ্জাদ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে মোবারক হোসেন ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেতৃত্ব দিয়ে আসছিলেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে তাদের খুঁজছিল।
গত ১৩ জুলাই দুপুরে নগরের চকবাজার থানার চন্দনপুরা-বাকলিয়া এক্সেস সড়কে অবস্থিত ডিজিটাল ডট নেট (ডিডিএন) কার্যালয়ে ৩০ থেকে ৩৫ জন সশস্ত্র ব্যক্তি হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির বেতনের জন্য রাখা ৩৫ লাখ টাকা লুট করা হয়। এর আগে ১১ জুলাই বিদেশি নম্বর থেকে ফোন করে ডিডিএন মালিক আদিল বিন মামুনের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। ডেভিড ইমন পরিচয় দিয়ে ফোনে হুমকি দেওয়া হয়, ‘ব্যবসা করতে হলে এককালীন ২ কোটি টাকা দেবেন। আর প্রতি মাসে ১০ লাখ টাকা করে দেবেন। না হলে এখন থেকে আমার ছেলেরা ব্যবসা করবে। আপনি আমার ডিটেইলস পুলিশ কমিশনার থেকে জিজ্ঞেস করেন। আপনি আমাকে না চিনলে পুলিশ কমিশনারকে আমার নাম্বারটা দেখাইয়েন। ব্যবসা এখন থেকে আমরা করব। আপনারা করিয়েন না। বেশি বাড়াবাড়ি করলে স্মার্ট গ্রুপের মুজিবের ঘরে কী হয়েছিল ওটা দেখেছেন তো। মুজিব থেকে গিয়ে আমার কথা জিজ্ঞেস করেন। তাহলে বুঝবেন।’
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাসায় গুলি চালানো হয়। এর আগেও গত ২ জানুয়ারি একই বাসায় গুলি করা হয়েছিল। এছাড়া গত ২৬ জুলাই নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকা থেকে মো. আসিফ ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে বিদেশি পিস্তল ও চার রাউন্ড গুলিসহ গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন।
পাকিস্তানের লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ প্রথমবারের মতো আইসিসি টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছেন। তিনি আফগানিস্তানের…
আন্তর্জাতিক বাজারে টানা সাত দিন ধরে জ্বালানি তেলের দাম কমছে। ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই ক্রুডের…
মানবজাতির জন্য ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠার এক অনুপম আদর্শ হিসেবে মহানবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনকে তুলে…
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক স্থান থেকে এক নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায়…
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ বাড়িয়ে চূড়ান্ত গেজেট…
লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির সময়সূচি দুই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী…
This website uses cookies.