দৈনিক কালবেলার বরগুনা জেলা প্রতিনিধি আসাদ সবুজের বিরুদ্ধে দায়ের করা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহার ও তাঁর নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাংবাদিক নেতারা। এই সময়ের মধ্যে মুক্তি না দিলে দেশব্যাপী বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ)। একই সঙ্গে গ্রেপ্তারের নামে অমানবিক জুলুমের সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার বিকেলে বরগুনা জেলা পুলিশ সুপারের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে এই দাবিগুলো তুলে ধরেন সাংবাদিক নেতারা। বিএমএসএফের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি আহমেদ আবু জাফরের নেতৃত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে বরগুনার পুলিশ সুপার কুদরত ই খুদা সাংবাদিক নেতৃবৃন্দকে জানান, সাংবাদিক আসাদ সবুজকে গ্রেপ্তারের সময় হেনস্তা ও অমানবিক আচরণের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে পুলিশের কোনো অপেশাদারি আচরণের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন। পাশাপাশি আসাদ সবুজের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
উক্ত বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম মোল্লা, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ফজলুল হক মাস্টার, বরগুনা প্রেসক্লাব সভাপতি হাফিজুর রহমান, বিএমএসএফের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক আরিফ রহমান ও আমির হোসেন, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সুমন তালুকদার, কেন্দ্রীয় নেতা রাহাদ সুমন, জামাল হোসেন খান, দানিসুর রহমান লিমন, বেতাগী শাখার সভাপতি হাসান সিকদার, দুমকি শাখার সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আরিফুর রহমান মামুন, বরগুনা জেলা শাখার সদস্য আসাদ তালুকদার, রাসেল সিকদার এবং প্রেসক্লাব সদস্য কাশেম হাওলাদার প্রমুখ।
বৈঠক শেষে সাংবাদিক নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেশে গণতন্ত্রের নামে গণমাধ্যম নিধনের চেষ্টা চলছে। বিভিন্ন পেশার মানুষের পাশাপাশি সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন, মিথ্যা মামলা ও হয়রানি করা হচ্ছে। তাঁরা সতর্ক করে বলেন, গণমাধ্যম না বাঁচলে দেশের গণতন্ত্র বাঁচবে না। তাই দেশের স্বার্থে গণমাধ্যমকে বাঁচাতে রাষ্ট্রকে এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। একটি স্বার্থান্বেষী, দুর্নীতিবাজ ও লুটপাটকারী গোষ্ঠী সবসময় গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রযন্ত্র থেকে আলাদা করতে চায়। এসব বন্ধ করে সাংবাদিকদের নির্বিঘ্নে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার দাবি জানান তাঁরা। এছাড়া আগামী ৮ নভেম্বরের মধ্যে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।
আসাদ সবুজের পক্ষে এই মামলাটি পরিচালনা করবেন সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বরগুনা জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মোস্তফা কাদের। আগামীকাল রোববার বরগুনা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁর জামিন শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কোনো চেষ্টা সরকার মেনে নেবে না বলে হুঁশিয়ার…
২০২৬ সালের ডিসেম্বরের আগেই ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত…
চলতি বছরের অক্টোবরের প্রথম সাত দিনে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য…
বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানী ও গবেষকের তালিকায় স্থান পেয়েছেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি)…
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি বিমানবন্দরে প্রবাসীদের প্রতি অবহেলা বা হয়রানি…
রংপুরে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ একই পরিবারের চারজনকে হত্যার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি সিদ্ধার্থ…
This website uses cookies.