প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭: ১৭ (05-09-2026, 07:17)
সরকারি প্রণোদনার আওতায় কৃষকদের জন্য ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনীহা ও উদাসীনতা দেখা গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ সংক্রান্ত গুরুতর অভিযোগ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, এসব হিমাগার নির্মাণে আর্থিক অনিয়ম বা অর্থ নয়ছয়ের সুযোগ কম থাকায় মাঠ কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের আগ্রহ কম। মূলত লাভজনক উন্নয়ন প্রকল্পের দিকেই কৃষি বিভাগের বেশিরভাগ কর্মকর্তার ঝোঁক বেশি থাকে।
প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, হিমাগার নির্মাণের সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে ঢাকা থেকে জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অনেক ক্ষেত্রে সাড়া পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে টাঙ্গাইল, রাজশাহী ও ঝিনাইদহের কৃষি কর্মকর্তাদের একাধিকবার ফোন করা হলেও তারা কোনো জবাব দেননি। কর্মকর্তাদের এমন উদাসীনতায় কৃষকদের আপৎকালীন ফসল সংরক্ষণের এই গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগের স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে দেশের ২৫টি জেলায় সরকারি প্রণোদনায় ৩২টি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান সরকার। তবে কাজের অগ্রগতি অত্যন্ত ধীরগতির এবং এখন পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৩০ শতাংশেরও কম কাজ শেষ হয়েছে। ৩২টির মধ্যে মাত্র ৯টি হিমাগারের কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং ২০টিরও বেশি হিমাগার এখনো অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। ইতিমধ্যে রাজবাড়ী ও চট্টগ্রামে দুটি করে এবং যশোর, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও দিনাজপুরে একটি করে হিমাগার নির্মাণ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে, নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জে নির্মাণসামগ্রী পৌঁছালেও কাজ শেষ হয়নি, নাটোর ও শরীয়তপুরে কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন, ফেনীতে এখনো মালামালই পৌঁছায়নি এবং জামালপুরে বিদ্যুৎ সংযোগের কাজ বাকি রয়েছে।
প্রণোদনার এই কর্মসূচির পাশাপাশি পৃথক একটি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে ১৮০টি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণের কাজ চলছে, যার মেয়াদ আগামী অক্টোবরে শেষ হওয়ার কথা। তবে এ পর্যন্ত মাত্র ১৪৭টি হিমাগার স্থাপন করা সম্ভব হয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বাকি কাজ শেষ করতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। কৃষি বিভাগের কিছু কর্মকর্তার প্রণোদনার চেয়ে প্রকল্পভিত্তিক কাজের প্রতি বেশি আগ্রহ থাকার বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা চলছে।
এই বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মনিটরিং উইংয়ের উপপরিচালক ড. আবু জাফর আল মুনছুর জানান, আর্থিক প্রণোদনার অধীনে বেশ কয়েকটি ক্ষুদ্র হিমাগার নির্মাণ করা হচ্ছে। এগুলো মন্ত্রণালয় সরাসরি তদারকি করায় তাদের ভূমিকা কম এবং কাজ শেষ হলে মন্ত্রণালয় থেকে উদ্বোধন করা হচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘ফারমার্স মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ নামের এই হিমাগারগুলোতে আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে শাকসবজি ও ফলমূলের মতো পচনশীল কৃষিপণ্য প্রায় ৪৫ দিন পর্যন্ত তাজা রাখা সম্ভব। পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎচালিত এই হিমাগারগুলো মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমেও নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, যা প্রান্তিক কৃষকদের ফসলের অপচয় রোধ ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পাবনার ঈশ্বরদীতে ক্রেতার পরিচয়ে দোকানে ঢুকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা মূল্যের দুই ভরি স্বর্ণের মালা…
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০ অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে দুই লাখ টাকার অনুদানের…
অষ্টাদশ বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজেএস) পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আইন অনুষদ থেকে ১৯…
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করেছেন যে, কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা…
জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক হয়েছে। এই আলোচনার পর…
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাইডলাইনে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেছেন…
This website uses cookies.