পরিবেশ রক্ষাকে একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে উল্লেখ করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, দেশের তরুণ সমাজ ও সাধারণ মানুষ সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই তার প্রমাণ। রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বন ভবনের হৈমন্তী মিলনায়তনে আয়োজিত ‘জাতীয় বৃক্ষমেলা ২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এবারের মাসব্যাপী মেলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা সবুজপ্রেমী মানুষ বিপুল উৎসাহে চারাগাছ কিনেছেন বলে জানান পরিবেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, মেলায় অংশ নেওয়া ৭৪টি নার্সারি থেকে প্রায় ১৬ লাখ চারাগাছ বিক্রি হয়েছে, যার মোট বাজারমূল্য প্রায় ১৬ কোটি টাকা।
বনায়ন ও পরিবেশ রক্ষায় ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক দেশে প্রথম বৃক্ষরোপণ অভিযান শুরু করেছিলেন। বর্তমানে জলবায়ু ও পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর একটি বৃহৎ কর্মসূচি শুরু করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে বন অধিদপ্তর দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। এ পর্যন্ত ১ লাখ ৭ হাজার হেক্টরের বেশি ব্লক এবং ৮২ হাজার কিলোমিটারেরও বেশি স্ট্রিপ বাগান করা হয়েছে। এতে প্রায় ৮ লাখ মানুষ সরাসরি অংশীদার হয়েছেন, যাদের মধ্যে একটি বড় অংশই নারী। বনায়ন থেকে অর্জিত কাঠের লভ্যাংশের অর্থ ইতোমধ্যে সাধারণ অংশীদারদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশমন্ত্রী দেশবাসীকে গাছ লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, মেলা আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলেও আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়নি; বরং আসল কাজ এখন শুরু হয়েছে। শহীদ জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন, প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্দীপনা এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বলিষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃত্বে একতাবদ্ধ হয়ে বাংলাদেশকে একটি সমৃদ্ধ, জলবায়ু-সহনশীল, সবুজ ও নিরাপদ সোনার বাংলায় রূপান্তর করার অঙ্গীকার করতে হবে। প্রতিটি পরিবার ও প্রতিষ্ঠান যদি অন্তত একটি করে গাছ লাগায়, তবে ২০৩৫ সালের মধ্যে দেশের বৃক্ষাচ্ছাদন ২৭ শতাংশে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে, তা সময়ের আগেই অর্জন করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরী দেশের উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলায় চলমান চরম বৃক্ষশূন্যতার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রায় ৩ কোটি মানুষের এই কংক্রিটের ঢাকা শহরে বর্তমানে মাত্র সাড়ে ১০ ভাগ সবুজ এলাকা রয়েছে। অথচ একটি শহরকে বাসযোগ্য রাখতে কমপক্ষে ২০ ভাগ সবুজ এলাকা থাকা প্রয়োজন। এই ঘাটতি পূরণে ঢাকার ছাদগুলোতে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানোর ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম মহাসচিব হিসেবে পাকিস্তানের সাবেক…
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরী। বৃহস্পতিবার…
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।…
কুমিল্লা জেলার ১৮টি থানায় একযোগে অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬২৪ জনকে আটক…
সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর ও সংস্থার আওতায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে গঠিত বিদ্যমান…
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ৬৯১ টাকা বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।…
This website uses cookies.