বাংলাদেশে পরিবেশ-উপযোগী ও টেকসই স্থাপত্য নকশাকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করল ‘ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে এই পুরস্কারের লোগো উন্মোচন এবং ‘ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আর্কিকানেক্ট এবং কনফারেন্স অ্যান্ড এক্সিবিশন ম্যানেজমেন্ট সার্ভিসেস (সেমস-গ্লোবাল) যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। ৩১তম বিল্ড বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো ২০২৬ এই আয়োজনের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে এবং ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্ত হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আর্কিকানেক্টের প্রতিষ্ঠাতা স্থপতি জালাল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশের স্থাপত্য খাতে উৎকর্ষ, জলবায়ু-উপযোগী নির্মাণ এবং উদ্ভাবনী উদ্যোগের প্রসার ঘটানোই এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য। এর মাধ্যমে দেশের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য প্রকল্প, পেশাগত নেতৃত্ব, উদীয়মান প্রতিভা এবং একাডেমিক অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের (বাস্থই) সভাপতি আবু সাঈদ এম আহমেদ, সেমস-গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট মেহরুন এন ইসলাম এবং স্থাপত্য অধিদপ্তরের প্রধান স্থপতি আসিফুর রহমান ভূঁইয়া বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নবনীতা ইসলাম।
পুরস্কারটি ছয়টি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হবে। এগুলো হলো ডেল্টা সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স অ্যাওয়ার্ড, ডেল্টা কনটেক্সচুয়াল অ্যান্ড সোশ্যাল ইমপ্যাক্ট অ্যাওয়ার্ড, ডেল্টা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ডেল্টা আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড, ডেল্টা ইমার্জিং আর্কিটেক্ট অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ডেল্টা আর্কিটেকচারাল স্কলার অ্যাওয়ার্ড। ডেল্টা লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডের মূল্যায়নে আইএফসি-মনোনীত একজন কারিগরি উপদেষ্টা যুক্ত থাকবেন, যা জলবায়ুসহনশীল ভবন বিষয়ে বৈশ্বিক অভিজ্ঞতার প্রতিফলন ঘটাবে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ডেল্টা ফেস্টিভ্যাল অব আর্কিটেকচার ২০২৬ তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে স্থাপত্যশিল্প, প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং গ্রিন ফাইন্যান্সের মতো বিষয়গুলো একই প্ল্যাটফর্মে উঠে আসবে। পুরস্কারের জন্য আজ থেকে অনলাইন আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে, যা ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। আগ্রহী ব্যক্তিরা ডেল্টা অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচারের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বিনা মূল্যে আবেদন করতে পারবেন। দেশের যেকোনো প্রান্তের নির্মিত স্থাপত্য প্রকল্প এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।
জুরি বোর্ডে রয়েছেন স্থপতি নিকলাউস গ্রাবার, স্থপতি সাইফ-উল-হক, অধ্যাপক মো. রফিক আজম, অধ্যাপক ফিরদৌস আজিম এবং স্থপতি মো. এহসান খান। নির্বাচিত প্রকল্পগুলো উৎসব চলাকালীন প্রদর্শিত হবে এবং পুরস্কারের মনোগ্রাফে স্থান পাবে। বিজয়ীরা ট্রফি, সনদপত্র, পুরস্কারের অর্থসহ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিতি ও নেটওয়ার্কিংয়ের সুযোগ পাবেন। সবশেষে আগামী ১২ নভেম্বর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
রাজ্যসভার সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পরপরই…
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে টেকসই করতে তেলের কৌশলগত মজুত সক্ষমতা ৯০ দিনে উন্নীত করার পরিকল্পনা হাতে…
আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম ৪,০০০ ডলারের মনস্তাত্ত্বিক সীমা অতিক্রম করে নিচে নেমেছে। একই সাথে রুপার…
যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিদ্যুৎ অবকাঠামো বা গ্রিড লক্ষ্য করে কোনো হামলা চালায়, তবে পাল্টা ব্যবস্থা…
রাজধানীর স্বামীবাগে আয়োজিত রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ বোধ করেন বিএনপি মহাসচিব…
বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।…
This website uses cookies.