-----------------------------------------------------হাফেজ মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি
ইহুদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আজ বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। ফিলিস্তিনের মজলুম মানুষের ওপর ইহুদি অবৈধ রাষ্ট্র হিজ্রাইল কর্তৃক মানবতার নিষ্ঠুরতম বর্বরতা দেখে বিশ্ব ব্যাপী ইহুদি পণ্য বর্জনের ডাক উঠেছে।
তবে প্রশ্ন হলো, শুধু কি পণ্য বর্জনই যথেষ্ট? নাকি এর পাশাপাশি ইহুদি সংস্কৃতি বা কালচারের প্রভাব থেকেও আমাদের মুক্ত হওয়া দরকার?
আমরা তো পন্য বয়কটের জন্য রাস্তায় নেমে এসেছি, অথচ ইহুদি প্রোডিউসড সিরিজ, মুভি, কার্টুনে আমাদের ঘর এখনো গরম!
ইতিহাস সাক্ষী—
আন্দালুসের পতনের আগে মুসলমানরা ইউরোপীয় পোশাক, গান, পানশালা, থিয়েটার গ্রহণ করেছিল। আর তার কিছুদিন পরেই ইসলামের সূর্য অস্তমিত হলো আন্দালুসে।
উসমানী খেলাফতের অন্তিমকালেও পাশ্চাত্য সংস্কৃতি ঢুকে পড়ে ইলম ও আদর্শকে দুর্বল করে দেয়।
আজও তাই হচ্ছে।
হলিউড, নেটফ্লিক্স, ডিজনি—সব প্ল্যাটফর্মেই ইহুদি প্রভাব স্পষ্ট। তারা আমাদের বাচ্চাদের সুপারম্যান, স্পাইডারম্যান শেখায়; কিন্তু রাসুল (সা.)-এর আদর্শ শেখায় না। তারা ‘ভোগবাদ’ শেখায়, কুরবানী’ শেখায় না।
আমাদের সন্তানেরা রাসূল (সা.)-এর সিরাত জানে না, কিন্তু জানে ইহুদি লেখকদের বানানো ফিকশনাল হিরোদের সব স্ট্যাটস!
এটা কি নিছক বিনোদন? না কি ধীরে ধীরে ঈমান হারানোর ব্লুপ্রিন্ট?
মনে রাখতে হবে—
পণ্য বর্জন অর্থনৈতিক যুদ্ধ;
আর কালচার বর্জন আদর্শিক জিহাদ।
তাই বলছি—
শুধু ইহুদি পণ্য নয়,
ইহুদি কালচারও বর্জন করুন।
#বয়কটইসরায়েল #বয়কটইহুদি_কালচার #কালচারালজিহাদ #ProtectYourIman
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২