Header Premium (728×90)

শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব মুখর আয়োজনে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচির

স্টাফ রিপোর্টার রংপুর:

আজ (১২ অক্টোবর) রবিবার সকালে উৎসবমুখর আয়োজনে বেলুনফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন হয় দিনব্যাপী কর্মসূচিরউদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা। বর্ণিল এ আনন্দ শোভাযাত্রা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ছাড়াও পার্কের মোড়সহ নগরীর প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

উত্তরের বাতিঘর খ্যাত বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৭তম বছর পেরিয়ে ১৮তম বর্ষে পদার্পন করেছে। ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজন করা হয়েছে দিনব্যাপী বিভিন্ন আয়োজন।

পরে আলোচনা মঞ্চে কেক কাটেন অতিথিবৃন্দ। আলোচনা পর্বে জুলাই আহত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান করা হয়প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনায় বক্তব্য রাখেন উদ্বোধক হিসেবে রংপুর বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সমন্বয় পরিষদের আহবায়ক ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. রেজাউল হক, প্রধান অতিথি তত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান, বিশেষ অতিথি ছিলেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামউল্ল্যা, কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রাশেদুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।

এছাড়াও দিনব্যাপী আয়োজনে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, বাদ আসর মিলাদ মাহফিল ও সন্ধ্যায় আয়োজন করা হয়েছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এদিকে, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭তম বর্ষপূর্তিতে রঙিন সাজে সজ্জিত করা হয় পুরো ক্যাম্পাস। প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ। দিনব্যাপী নানা আয়োজন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, স্মৃতিচারণ ও পুনর্মিলন উৎসবে মিলিত হয় এক প্রাণোচ্ছল আবহ। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য, প্রতিষ্ঠা আন্দোলনের আহ্বায়ক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়িয়ে তোলে আয়োজনের গভীরতা। এসময় তারা স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তুলে ধরেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মলগ্নের নানা চ্যালেঞ্জ, সংগ্রাম ও সফলতার কথা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেবল একটি উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান নয়, এটি উত্তরাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন ও সংগ্রামের প্রতীক। প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা অংশ নিয়েছিলেন, তাদের অবদানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জুলাই আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ।

স্মৃতি রোমন্থনের আবহে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ফিরে যান তাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সোনালি দিনগুলোয়। কেউ বললেন ক্লাসরুমের গল্প, কেউ বললেন আন্দোলনের স্মৃতি, কেউ আবার খুঁজলেন পুরনো বন্ধুদের পরিচিত মুখ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন রূপ নেয় এক স্মৃতিময় মিলনমেলায়, যেখানে অতীত ও বর্তমান মিলেমিশে একাকার হয়ে যায় প্রীতি ও গৌরবের বন্ধনে। স্মৃতি রোমন্থনে সবাই ফিরে যায় অতিত জীবনে।

saju

Recent Posts

সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের সেপ্টেম্বর অধিবেশনেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন। এর জন্য বিশেষ…

4 minutes ago

এইচবিএল বাংলাদেশের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হলেন আলমগীর মোরশেদ

এশিয়ার শীর্ষস্থানীয় ব্যাংক হাবিব ব্যাংক লিমিটেড (এইচবিএল) বাংলাদেশ তাদের নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে আলমগীর মোরশেদকে…

19 minutes ago

ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল, দুই লাখ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে

ইউরোপজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও শুষ্ক আবহাওয়ার মধ্যে ফ্রান্স ও স্পেনে ভয়াবহ দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি…

29 minutes ago

ধানমণ্ডির পরিত্যক্ত সুধাসদন থেকে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

রাজধানীর ধানমণ্ডি ৫ নম্বর রোডের পরিত্যক্ত সুধাসদন থেকে মো. সাকিল (২০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত…

32 minutes ago

আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিল ককরোচ জনতা পার্টি

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ এবং বিভিন্ন দাবির বিষয়ে সরকারি আশ্বাসের পর আনুষ্ঠানিকভাবে আন্দোলন…

33 minutes ago

ইরানে সামরিক অভিযান সাময়িক স্থগিত করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলা বিমান হামলার পর নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার…

37 minutes ago

This website uses cookies.