দেশের শেয়ারবাজারে পতনের ধারা অব্যাহত রয়েছে। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস রোববার বড় ধরনের দরপতনের মুখে পড়েছে বাজার, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। এদিন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১ দশমিক ৮৩ শতাংশ বা ১০৩ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৫৮ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে এক দিনেই বাজার মূলধন কমেছে প্রায় ৬ হাজার ৭৮২ কোটি টাকা।
বাজারের অন্য সূচকগুলোর মধ্যেও পতনের চিত্র দেখা গেছে। রোববার দিন শেষে ডিএসইর শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ২২ দশমিক 6৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৫ দশমিক ৩৬ পয়েন্টে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ২৪ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ২ হাজার ১১৬ দশমিক ১৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এদিন ডিএসইতে তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের বাজার মূলধন কমে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ৭৮১ কোটি ৭৮ লাখ টাকা।
লেনদেনের ক্ষেত্রেও বড় মন্দা দেখা গেছে। রোববার ডিএসইতে মোট ৫৪৫ কোটি ২৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট কেনাবেচা হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসের ৭২০ কোটি ৯২ লাখ টাকার চেয়ে ১৭৫ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বা প্রায় ২৪ শতাংশ কম। এদিন লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠান ও ফান্ডের মধ্যে মাত্র ২০টির শেয়ারের দাম বেড়েছে। বিপরীতে দর হারিয়েছে ৩৪৮টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার এবং অপরিবর্তিত ছিল ২১টির দর। অর্থাৎ, লেনদেন হওয়া প্রায় ৯০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানেরই শেয়ারদর কমেছে।
শেয়ারবাজারের এই অস্থিরতা বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছে। এর আগে টানা ছয় কার্যদিবস পতনের কারণে ডিএসইএক্স সূচক ১৩৪ পয়েন্ট হারিয়েছিল। এরপর কয়েক দিন সূচক কিছুটা বাড়লেও সেই ইতিবাচক ধারা স্থায়ী হয়নি। গত সপ্তাহের শুরুতেও বাজারে পতন দেখা গিয়েছিল, যেখানে রোববার ৪১ পয়েন্ট এবং সোমবার ১৬ পয়েন্ট কমেছিল। তবে মঙ্গলবার ৩৯ পয়েন্ট ও বুধবার ২৩ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সামান্য ২ পয়েন্ট বাড়লেও নতুন সপ্তাহের প্রথম দিনেই আবার বড় ধসের মুখে পড়ল বাজার।
একই চিত্র দেখা গেছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই)। সেখানে সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৭১ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ১ দশমিক ৫৩ পয়েন্টে নেমেছে। সিএসইতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মাত্র ৩০টির দর বেড়েছে, ১৫৭টির কমেছে এবং ১৭টির দর অপরিবর্তিত ছিল। তবে সিএসইতে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা বেড়ে ১৭ কোটি ৩০ লাখ টাকা হয়েছে, যা আগের কার্যদিবসে ছিল ১৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
হঠাৎ এই বড় পতনের পেছনে তাৎক্ষণিক কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না বাজারসংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, দেশের অর্থনীতিতে বিদ্যমান চাপ এবং গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের মতো সমস্যাগুলো আগে থেকেই ছিল। এসবের মধ্যেই বাজারে স্বাভাবিক লেনদেন চলছিল। তাই এক দিনে এত বড় পতনের পেছনে অন্য কোনো নতুন কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, দীর্ঘদিনের দরপতনের মধ্যে এমন ধস বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও কমিয়ে দেবে। এই অস্থিরতা কাটাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যকর উদ্যোগের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বাজারে দ্রুত স্থিতিশীলতা ফেরানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী বাজারে অনিয়মের অভিযোগে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ…
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীকে…
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করছেন না ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন…
সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী প্রবণতায় থাকলেও তা চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার বেশি হওয়ায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে…
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে বিদেশি ট্রেডিং পার্টনার ব্যাংকের নামে প্রারম্ভিক জমা ছাড়াই টাকা ভস্ট্র অ্যাকাউন্ট…
পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন সীমান্ত চুক্তিকে আইনি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। বিতর্কিত…
This website uses cookies.