রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজারে নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমুখী দামে সাধারণ ক্রেতারা চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বিশেষ করে ডিমের দাম দিন দিন বাড়ছে; প্রতিটি ডিম এখন ১৪ টাকায় কিনতে হচ্ছে এবং ডজনপ্রতি দাম পড়ছে ১৬৫ টাকা। ডিম বিক্রেতা মাসুম জানান, ফার্মের মুরগির ডিমের দাম কমার কোনো লক্ষণ নেই, এখন প্রতি হালি ৫৫ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। আগে সপ্তাহে এক ডজন ডিম কিনলে বিক্রেতারা দুই টাকা কম রাখলেও এখন তা হচ্ছে না।
সবজির বাজারেও আগুন লেগেছে। বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলসহ সাধারণ সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। কচুরমুখি ৮০ টাকা এবং লাউ প্রতি পিচ ৫০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া গেলেও দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বর্ষা মৌসুমেই বাজারে আসা শীতের আগাম সবজি শিম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপে তুলনামূলক কম দামে ৪০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে কাঁচা মরিচের দাম গত সপ্তাহের ১২০ টাকা থেকে বেড়ে আজ ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শাকের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে; লাল শাক ও কলমি শাক ১০ টাকা আঁটি, ডাঁটা শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পুঁইশাক ৩০ থেকে ৫০ টাকা, লাউ শাক ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং কচু শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে।
সবজি ক্রেতা আবু দাউদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে সব সবজির দাম বেড়েছে, ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই। টমেটো, বেগুন আর করলা কিনতে হলে ১০০ টাকার উপরে গুনতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আমরা যারা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা কামাই করি, তারা মাছ কিনবে, সবজি কিনবে নাকি চাল কিনবে। সরকারের উচিত আমাদের কথা ভাবা।
বাজারে মুরগি ও গরুর মাংসের দাম প্রায় আগের মতোই রয়েছে। ব্রয়লার মুরগি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাছের বাজারেও একই চিত্র দেখা গেছে। মাছ বিক্রেতা মফিজুল ইসলাম জানান, মাছের আকার, মান এবং তা জীবিত না মৃত—তার ওপর দাম নির্ভর করে। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকা এবং মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি ১০০০ থেকে ১৩০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল মাছ ৭০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে ১০০০ টাকার বেশি গুনতে হচ্ছে। বিক্রেতারা জানান, সরবরাহ কম থাকলে বা বড় আকারের মাছের চাহিদা বাড়লে দাম আরও কিছুটা বেড়ে যায় এবং বাজারভেদে প্রতি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দামের পার্থক্য হতে পারে।
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বালিজুড়ী বাজারে অনিয়মের অভিযোগে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ…
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের ইকবাল রোডের একটি বাসা থেকে নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোশতাক আহমেদ রুহীকে…
যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে নিউ ইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করছেন না ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন…
সার্বিক মূল্যস্ফীতি নিম্নমুখী প্রবণতায় থাকলেও তা চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার বেশি হওয়ায় নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখেছে…
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ করতে বিদেশি ট্রেডিং পার্টনার ব্যাংকের নামে প্রারম্ভিক জমা ছাড়াই টাকা ভস্ট্র অ্যাকাউন্ট…
পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত নতুন সীমান্ত চুক্তিকে আইনি ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে ভারত। বিতর্কিত…
This website uses cookies.