ফখরুল আলম সাজু
রাজধানী ঢাকা মুগদা থানা এলাকায় প্রকাশ্য মাদক বেচাকেনা নিয়ে স্থানীয়দের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মুগদা থানার আশপাশ সহ একাধিক ‘হটস্পট’ এ দিনের পর দিন ইয়াবা, গাঁজা ও অন্যান্য মাদকদ্রব্যের কেনাবেচা চললেও কার্যকর অভিযান চোখে পড়ছে না, এতে পুলিশের নজরদারি ও দায়িত্ব পালনের প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, মানিকনগর বালুর মাঠে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ছত্রছায়ায় দেলোয়ার ওরফে বুদ্দা, লতা, ঘাস মিলন, বৃষ্টি, মিন্টু, সাকিল, রাজু, সবুজ এবং রুবেল মাদক বিক্রি করে আসছে।
এদিকে মান্ডা ১ম গলির মোশাররফ মিয়ার বাড়ির আশপাশে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তাসলিমা বেগম, শরিফুন বেগম, নাসির, সজিব, মনা, বেলায়েত, টুলু, মাইকেল ও সহকারী সাগর।
মানিকনগরের বসুন্ধরা এলাকায় মোজাম্মেল মিয়ার বাড়ির সামনে রিনা, তার স্বামী আবুল এবং সহকারী রুমা মাদক বিক্রি করে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে মদিনাবাগের ময়লার ডিপু আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে ইতি, জুয়েল, শাহ আলম, রনি, মুন্নি এবং আরও অনেকে।
বিশ্বরোড সংলগ্ন এলাকা ও মানিকনগরের প্রেম গলিতে দেলা ও তার স্ত্রী মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে, এছাড়া মুগদা, মান্ডা ও মানিকনগরের অলিগলিতে গড়ে উঠেছে অসংখ্য মাদকের আখড়া।
মান্ডা প্রথম গলিতে গাঁজা, ফেনসিডিল, হেরোইন ও ইয়াবার বেচাকেনা চলছে, অভিযোগ রয়েছে, এসব কারবারিরা নিজেদের রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে এই অবৈধ সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে।
মানিকনগর, আনন্দধারা, ব্রিজের গোড়ায়, লোদার স্পট সহ বিভিন্ন স্থানে ফেনসিডিল, হেরোইন ও ইয়াবার রমরমা বাণিজ্য চলছে, একই ভাবে নিজুর স্পট নামে পরিচিত মানিক নগর এলাকায়ও মাদকের আখড়া সক্রিয় রয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিন এসব এলাকায় লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়, মাদকের করাল গ্রাসে তরুণ সমাজ ধ্বংসের পথে, অনেক উঠতি যুবক ছিনতাই ও ডাকাতির মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, প্রায় প্রতিরাতেই এসব আসর কে কেন্দ্র করে মারামারি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
আরও অভিযোগ উঠেছে, মাদক চক্র প্রতিদিন পুলিশ, কিছু প্রভাবশালী নেতা ও কথিত কিছু সাংবাদিককে মোটা অংকের টাকা দিয়ে থাকে, এর বিনিময়ে লোক দেখানো অভিযান পরিচালিত হলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।
১ সিন্ডিকেট সদস্যের দাবি, আমরা নিয়মিত টাকা দেই দলের প্রোগ্রামেও কিশোর গ্যাং সরবরাহ করা হয়, সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মাদক কারবারিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে এবং নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী বিক্রেতারা অবস্থান নেয়, এ তথ্য স্থানীয়দের কাছে এখন ওপেন সিক্রেট নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি বা ধারাবাহিক অভিযানের দৃশ্যমান প্রমাণ নেই বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১ দোকানদার বলেন, প্রতিদিন একই মুখ, একই জায়গা ক্রেতা আসে, নেয়, চলে যায়, পুলিশ মাঝে মাঝে দেখা যায়, কিন্তু এই জায়গা গুলোতে কোনো তৎপরতা নেই।
আরেক বাসিন্দার দাবি, ছোটখাটো অভিযানে ২/১ জন ধরা পড়লেও মূল হোতারা অধরা থেকে যায়।
এ বিষয়ে মুগদা থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি তবে পুলিশের ১টি সূত্র দাবি করেছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে, কিন্তু কবে, কীভাবে এবং কার বিরুদ্ধে সে বিষয়ে স্পষ্টতা নেই।
এলাকাবাসী দ্রুত স্বচ্ছ তদন্ত, ধারাবাহিক অভিযান ও ফলাফল প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন, তারা পুলিশ সদর দপ্তর ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, বিস্তারিত আসছে খুব শিগগিরই।
ফখরুল আলম সাজু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে স্থান পেয়েছেন…
জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলার পতেঙ্গা এলাকায় কোস্ট গার্ড এর বিশেষ অভিযান চালিয়ে…
তিমির চন্দ্র দাস, ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী: ফেনী জেলা সোনাগাজী পৌরসভার ময়লা-আবর্জনা মতিগঞ্জ ইউনিয়নের ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায়…
মশিউর রহমান, কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি: কুমিল্লার বুড়িচংয়ে এক পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব পালনকালে কুপিয়ে জখম করেছে…
ফখরুল আলম সাজু কুমিল্লা জেলা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা উত্তর তেতাভূমি এলাকায় থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০…
ফখরুল আলম সাজু কুমিল্লা জেলা বরুড়া উপজেলায় ১ নারকীয় ঘটনায় মাত্র ৬ বছর বয়সী ১টি…
This website uses cookies.