কক্সবাজারের সাবেক ডিসি দুর্নীতি মামলায় কারাগারে।
জাওয়ান উদ্দিন
কক্সবাজার মহেশখালীর মাতারবাড়ীতে ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের দায়ের করা মামলায় কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক মোঃ রুহুল আমিনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে কক্সবাজার জেলা জজ আদালত।
রোববার( ৯ ফেব্রুয়ারি) ১২ টা দিকে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মুন্সী আব্দুল মজিদের আদালত এই নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুর্নীতি দমন কমিশন- দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ। কক্সবাজার জেলা জজ আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন মামলার বাদী এ কে এম কায়সারুল ইসলাম।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ১৯ নভেম্বর মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জমি অধিগ্রহণের প্রায় ২০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মো. রুহুল আমিনকে প্রধান আসামি করে ২৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন মাতারবাড়ীর বাসিন্দা এ কে এম কায়সারুল ইসলাম চৌধুরী। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তদন্তের জন্য দুদককে নির্দেশ দেন। মামলার পরপরই ১ নম্বর আসামি রুহুল আমিনের নাম বাদ দিয়ে দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নথিপত্র পাঠান তৎকালীন জেলা ও দায়রা জজ মো. সাদিকুল ইসলাম তালুকদার।
পরে মামলার বাদী হয়ে এ কে এম কায়সারুল ইসলাম চৌধুরী মামলার নথি জালিয়াতি অভিযোগে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। দুদকের কক্সবাজার সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন আদালতে কক্সবাজারের সাবেক জেলা প্রশাসক রুহুল আমিন, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ সাদিকুল ইসলাম তালুকদারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। এর পর ২৩ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা জজ আদালত জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মুন্সী আব্দুল মজিদ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। এই মামলার সাবেক ডিসি রুহুল আমিন আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করে। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বাকী তিন আসামি সাবেক কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ সাদিকুল ইসলাম তালুকদার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নাজির স্বপন কান্তি পাল এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্টেনোগ্রাফার জাফর আহমদ জামিনে রয়েছে। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী মোস্তাক আহমদ চৌধুরী পালাতক রয়েছে
কক্সবাজার মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য ১ হাজার ৪১৪ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। জমি, চিংড়িঘেরসহ বিভিন্নখাতে ক্ষতিপূরণ বাবদ বরাদ্দ করা হয় ২৩৭ কোটি, শুধুমাত্র চিংড়ি ঘেরের অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের বিপরীতে ৪৬ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকলেও ২৫টি চিংড়ি ঘের দেখিয়ে ক্ষতিপূরণের ৪৬ কোটি টাকা থেকে ১৯ কোটি ৮২ লাখ ৮ হাজার ৩১৫ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত করেন সাবেক ডিসি মোঃ রুহুল আমিন
যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট: নেত্রকোণা জেলা পূর্বধলা উপজেলায় বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে…
স্টাফ রিপোর্টার রংপুর গত দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে যাচ্ছে রংপুর নগরীর বিভিন্ন সড়ক। পরিকল্পিত…
ফখরুল আলম সাজু কুমিল্লা জেলা শাসনগাছা–বুড়িচং–ব্রাহ্মণপাড়া সড়কে অবৈধভাবে জিবি নামে চাঁদা আদায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও…
জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজস্ব প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী থানাধীন মইজ্জারটেগ সিডিএ আবাসিক এলাকায় চলমান ১টি…
যখন সময় ডেস্ক রিপোর্ট: আওয়ামী ও দোসর দালাল নারায়ণগঞ্জ জেলা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের উপ পরিচালক…
মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মাহনা এলাকায় মাদকদ্রব্যের ব্যবহার ও পাচার রোধে…
This website uses cookies.