ঢাকা ১০:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রক্ত দিয়ে ফেরার পথে সড়কে প্রাণ গেলো রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি রবিউলের কিশোরগঞ্জে নকল ঔষধ কারখানায় অভিযান ও জরিমানা ‎জলঢাকায় বুড়িতিস্তা নদী খনন প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত চালুর ও মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়ারপুরে কবরস্থান থেকে বিদেশি অস্ত্র উদ্ধার নির্বাচনে নাশকতার সন্দেহ মনোহরদীতে বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রাজবাড়ীতে ননদের কামড়ে ছিড়ে গেছে ভাবীর ঠোঁট নিজ বাড়ি থেকে মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁর স্ত্রীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার মনোহরদীতে মোটরসাইকেল চাপায় মাদ্রাসা সুপার নিহত দেশের সবকিছুর ভিত্তি আইনশৃঙ্খলা শুরুতে সমস্যা থাকলেও এখন ভালো অবস্থা পররাষ্ট্র উপদেষ্টা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় “শান্তিতে থাকবো” অপরকে শান্তিতে রাখবো সামাজিক সংগঠন এর উদ্যোগ শীতবস্ত্র বিতরণ

রহস্যময় নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদা! ৬দিনেও সন্ধান মেলেনি

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১২:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫ ৬৬ বার পড়া হয়েছে

রহস্যময় নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদা! ৬দিনেও সন্ধান মেলেনি

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুরে একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী সানজিদা নিখোঁজ হওয়া ৬দিন পাড় হলেও এখনও সন্ধান মেলেনি তার। পরিবারের দাবি ছোট ভাইয়ের সাথে রাগ করে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হয়। পুলিশের দাবি, যদি নদীতে ঝাঁপ দিতো পরের দিনেই মরদেহ ভেসে উঠত। পরিবারের দাবি ভিত্তিহীন। তারপরও পুলিশ শিক্ষার্থী সানজিদাকে উদ্ধারে কাজ করছে।

নিখোঁজ সানজিদা আক্তার লিছা উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ উত্তরপাড়ার সাইফুল ইসলাম লিটনের মেয়ে। বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী

নিখোঁজ সানজিদার পরিবারের সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার (৬ জুন) ঈদুল আজহার আগের দিন বিকাল ৩টার দিকে সানজিদা তার বাড়ি সংলগ্ন করোতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেয়। কারণ হিসেবে জানা গেছে ছোট ভাই এর সাথে রাগারাগি করে এমন কাণ্ড ঘটায়।

নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদার বাবা সাইফুল ইসলাম লিটন বলেন, বিষয়টি শাজাহানপুর থানা পুলিশকে জানালে, প্রথমে ফায়ার সার্ভিস টিম আসে। পরে রাজশাহী থেকে ডুবরি দল আসে। কিন্তু ডুবরি দল আমার সাথে কোন কথা না বলে নদীতে না নেমেই চলে যান। এদিকে নিখোঁজের ৬দিন পাড় হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না তিনি।

ঈদের আগের দিন সানজিদার নিখোঁজ হওয়ায় পর থেকে পুরো পরিবারে ঈদ আনন্দ মলিন হয়ে গেছে।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজের খবর শোনা মাত্রই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সানজিদাকে নদীর পাড় দিয়ে যেতে দেখেছে এলাকাবাসি। কিন্তু নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়তে কেউ দেখেনি। এছাড়া করতোয়া ছোট্ট নদী। যদি ঝাঁপ দিয়েই থাকতো তাহলে পরদিনই মরদেহ ভেসে উঠতো। তারপরও পুলিশের একাধিক টিম গুরুত্বের সাথে তদন্ত এবং উদ্ধারে মাঠে নেমেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

রহস্যময় নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদা! ৬দিনেও সন্ধান মেলেনি

আপডেট সময় : ১২:৩১:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুরে একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী সানজিদা নিখোঁজ হওয়া ৬দিন পাড় হলেও এখনও সন্ধান মেলেনি তার। পরিবারের দাবি ছোট ভাইয়ের সাথে রাগ করে করতোয়া নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হয়। পুলিশের দাবি, যদি নদীতে ঝাঁপ দিতো পরের দিনেই মরদেহ ভেসে উঠত। পরিবারের দাবি ভিত্তিহীন। তারপরও পুলিশ শিক্ষার্থী সানজিদাকে উদ্ধারে কাজ করছে।

নিখোঁজ সানজিদা আক্তার লিছা উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ উত্তরপাড়ার সাইফুল ইসলাম লিটনের মেয়ে। বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির একাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী

নিখোঁজ সানজিদার পরিবারের সূত্রে জানাগেছে, গত শুক্রবার (৬ জুন) ঈদুল আজহার আগের দিন বিকাল ৩টার দিকে সানজিদা তার বাড়ি সংলগ্ন করোতোয়া নদীতে ঝাঁপ দেয়। কারণ হিসেবে জানা গেছে ছোট ভাই এর সাথে রাগারাগি করে এমন কাণ্ড ঘটায়।

নিখোঁজ শিক্ষার্থী সানজিদার বাবা সাইফুল ইসলাম লিটন বলেন, বিষয়টি শাজাহানপুর থানা পুলিশকে জানালে, প্রথমে ফায়ার সার্ভিস টিম আসে। পরে রাজশাহী থেকে ডুবরি দল আসে। কিন্তু ডুবরি দল আমার সাথে কোন কথা না বলে নদীতে না নেমেই চলে যান। এদিকে নিখোঁজের ৬দিন পাড় হলেও প্রশাসনের দৃশ্যমান কোন সহযোগিতা পাচ্ছেন না তিনি।

ঈদের আগের দিন সানজিদার নিখোঁজ হওয়ায় পর থেকে পুরো পরিবারে ঈদ আনন্দ মলিন হয়ে গেছে।

শাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, নিখোঁজের খবর শোনা মাত্রই তদন্তে নেমেছে পুলিশ। সানজিদাকে নদীর পাড় দিয়ে যেতে দেখেছে এলাকাবাসি। কিন্তু নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়তে কেউ দেখেনি। এছাড়া করতোয়া ছোট্ট নদী। যদি ঝাঁপ দিয়েই থাকতো তাহলে পরদিনই মরদেহ ভেসে উঠতো। তারপরও পুলিশের একাধিক টিম গুরুত্বের সাথে তদন্ত এবং উদ্ধারে মাঠে নেমেছে।