ঢাকা ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরফ্যাশনে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার, পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও জমি বিরোধের জের ধরে, পরিবারের দাবি নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আরিফুর রহমান কৃতিত্বপূর্ণ কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা অর্জন রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত  সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে রংপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন কুমিল্লায় ধান কাটতে এসে শ্রমিক, গৃহকর্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্ত্রীকে চাকুরি করতে না দেওয়া ডিভোর্সের জের ধরে শশুর বাড়ির সবার বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা পাংশায় পৃথক দুটি খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন মিঠাপুকুরে ১১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ মাদক কারবারি আটক গাউসুল আজম সুপার মার্কেটের এজিএম স্থগিত, অভিযোগে উত্তপ্ত পরিস্থিতি কদমতলীতে সংঘর্ষে আহত পরিবহন শ্রমিকের মৃত্যু

ইউনূস সরকারের সাফল্যে বাধা নয়, সমর্থন প্রয়োজন: রিজভী

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

ইউনূস সরকারের সাফল্যে বাধা নয়, সমর্থন প্রয়োজন: রিজভী

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা চক্রান্তের মধ্যে দিয়ে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটছি। গণতন্ত্রের যে আরও শর্ত আছে, অর্থাৎ সুষ্ঠু নির্বাচন—সেদিকে হাঁটতে হবে। প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী আহ্বান জানান, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের সরকারকে সমস্ত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। তিনি নিঃসন্দেহে একজন গুণী মানুষ। আপনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করুন।”

তিনি আরও বলেন, “মুহাম্মদ ইউনূস একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলছে। তিনি বলেছেন, ‘কেন তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এত লম্বা সময়ের কথা বলছেন। (সংস্কার) এটা তো এত লম্বা সময়ের কথা নয়। মনে হচ্ছে, সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো জায়গায় ঘাপলা আছে। সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো মাস্টারপ্ল্যান আছে কি না, এটা এখন আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।'”

রিজভী বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার হবে গণতন্ত্রের মডেল। তারা সেটি না করে এই যে প্রলম্বিত করা, আমার মনে হয় কোথাও যেন একটা জটিলতা হচ্ছে। গণতন্ত্রচর্চা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী বলেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা চক্রান্তের মধ্যে দিয়ে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটছি। গণতন্ত্রের যে আরও শর্ত আছে, অর্থাৎ সুষ্ঠু নির্বাচন—সেদিকে হাঁটতে হবে। প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী আহ্বান জানান, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের সরকারকে সমস্ত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। তিনি নিঃসন্দেহে একজন গুণী মানুষ। আপনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করুন।”

তিনি আরও বলেন, “মুহাম্মদ ইউনূস একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলছে। তিনি বলেছেন, ‘কেন তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এত লম্বা সময়ের কথা বলছেন। (সংস্কার) এটা তো এত লম্বা সময়ের কথা নয়। মনে হচ্ছে, সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো জায়গায় ঘাপলা আছে। সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো মাস্টারপ্ল্যান আছে কি না, এটা এখন আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।'”

রিজভী বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার হবে গণতন্ত্রের মডেল। তারা সেটি না করে এই যে প্রলম্বিত করা, আমার মনে হয় কোথাও যেন একটা জটিলতা হচ্ছে। গণতন্ত্রচর্চা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী বলেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

ইউনূস সরকারের সাফল্যে বাধা নয়, সমর্থন প্রয়োজন: রিজভী

আপডেট সময় : ০৫:১৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
print news

মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেছেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা চক্রান্তের মধ্যে দিয়ে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটছি। গণতন্ত্রের যে আরও শর্ত আছে, অর্থাৎ সুষ্ঠু নির্বাচন—সেদিকে হাঁটতে হবে। প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী আহ্বান জানান, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের সরকারকে সমস্ত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। তিনি নিঃসন্দেহে একজন গুণী মানুষ। আপনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করুন।”

তিনি আরও বলেন, “মুহাম্মদ ইউনূস একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলছে। তিনি বলেছেন, ‘কেন তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এত লম্বা সময়ের কথা বলছেন। (সংস্কার) এটা তো এত লম্বা সময়ের কথা নয়। মনে হচ্ছে, সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো জায়গায় ঘাপলা আছে। সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো মাস্টারপ্ল্যান আছে কি না, এটা এখন আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।'”

রিজভী বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার হবে গণতন্ত্রের মডেল। তারা সেটি না করে এই যে প্রলম্বিত করা, আমার মনে হয় কোথাও যেন একটা জটিলতা হচ্ছে। গণতন্ত্রচর্চা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী বলেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”

তিনি আরও বলেন, “জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নানা চক্রান্তের মধ্যে দিয়ে আমরা গণতন্ত্রের পথে হাঁটছি। গণতন্ত্রের যে আরও শর্ত আছে, অর্থাৎ সুষ্ঠু নির্বাচন—সেদিকে হাঁটতে হবে। প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী আহ্বান জানান, “ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাহেবের সরকারকে সমস্ত গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল সমর্থন দিয়েছে। তিনি নিঃসন্দেহে একজন গুণী মানুষ। আপনি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারিখ ঘোষণা করুন।”

তিনি আরও বলেন, “মুহাম্মদ ইউনূস একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলছে। তিনি বলেছেন, ‘কেন তিনি (প্রধান উপদেষ্টা) এত লম্বা সময়ের কথা বলছেন। (সংস্কার) এটা তো এত লম্বা সময়ের কথা নয়। মনে হচ্ছে, সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো জায়গায় ঘাপলা আছে। সরকারের মধ্যে কোথাও কোনো মাস্টারপ্ল্যান আছে কি না, এটা এখন আমাদের ভাবিয়ে তুলছে।'”

রিজভী বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকার হবে গণতন্ত্রের মডেল। তারা সেটি না করে এই যে প্রলম্বিত করা, আমার মনে হয় কোথাও যেন একটা জটিলতা হচ্ছে। গণতন্ত্রচর্চা এবং রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে কোথাও কোনো সমস্যা হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “প্রয়োজনীয় যে সংস্কার, আমাদের জাতীয় সংসদ, সংবিধান, জনপ্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন—সবকিছুতে সংস্কার দরকার। কিন্তু সংস্কারের নামে কালক্ষেপণ করে এটা নিয়ে তর্কবিতর্ক করলে হবে না। বাংলাদেশের মানুষ ১৭ বছর ভোট দিতে পারেনি। আওয়ামী লীগ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনকে আকাশের তারা করে দিয়েছে। এখন দ্রুত নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে।”

রিজভী বলেন, “সরকারের সমালোচনা করা মানে, সরকারকে ব্যর্থ করা নয়। দেশ গণতন্ত্রের পথে যে যাত্রা শুরু করেছে, আপনারা তাকে (সরকার) সহায়তা করবেন।”