ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মসজিদে ভিতরে ঢুকে মুসল্লিকে হত্যা আনোয়ারায় বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার ১ তরুণী চরফ্যাশনে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার, পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ও জমি বিরোধের জের ধরে, পরিবারের দাবি নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আরিফুর রহমান কৃতিত্বপূর্ণ কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা অর্জন রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে কর্মবিরতি ও অবস্থান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত  সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের দাবি জানিয়ে রংপুরে জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালন কুমিল্লায় ধান কাটতে এসে শ্রমিক, গৃহকর্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা স্ত্রীকে চাকুরি করতে না দেওয়া ডিভোর্সের জের ধরে শশুর বাড়ির সবার বিরুদ্ধে নির্যাতনের মামলা পাংশায় পৃথক দুটি খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন মিঠাপুকুরে ১১১ পিস ইয়াবা উদ্ধার, ০১ মাদক কারবারি আটক

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ
  • আপডেট সময় : ০২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ৩১৩ বার পড়া হয়েছে

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বাবা মা এর বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার জামালপুরের শিশু সুমির। বিচ্ছেদের পর আলাদা সংসার করছেন তার মা-বাবা। সুমির থাকছিল তার নানির কাছে। শেষ পর্যন্ত নানী দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তার দায়িত্ব নিজের হাতে নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানুয়ার হোসেন ছানু।

সেই সুমিরকে আজ বুধবার ( ২৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের ২ নং পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু নিজে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে অভিভাবকের জায়গায় নিজের নাম লিখেন। আজ থেকে সুমিরের অফিসিয়ালি অভিভাবক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু।

জানা যায়, জামালপুর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া গত ১১ জানুয়ারি নানা বাড়ি থেকে হারিয়ে যায় সুমির। পরে তাকে খুঁজে পান শহরের ভ্যানগাড়ি চালক জুয়েল মিয়া। তিনি শিশু সুমিরকে ৯ দিন তার কাছে রেখে মঙ্গলবার সকালে সুমিরের নানীর কাছে সুমিরকে ফিরিয়ে দিতে যান। কিন্তু অভাবের সংসারে নাতিকে নিতে অস্বীকার করেন ফরিদা।

পরে ভ্যানচালক জুয়েল মিয়া শিশুটিকে নিয়ে পৌর মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানুর কাছে নিয়ে যান। শিশু সুমিরের এই পরিণতি শুনে মর্মাহত হোন মেয়র। পৌর মেয়র ছানু নিজেই শিশুটির দায়িত্ব নেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু মানবতার উজ্জ্বল নজির গড়েছেন। মেয়রের মতো এভাবে দায়িত্বশীল লোকজন যদি কুড়িয়ে পাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পথশিশুদের পাশে দাঁড়ান, সেটা সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু বলেন, মহান আল্লাহ সকল শিশুর হেফাজতকারী। আমি সুমিরের জীবন কাহিনি শুনে দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। একদিন বড় হয়ে শিশু সুমিরই অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়াবে, সামাজিক ও মানবিক কাজ করে সমাজে আলো ছড়াবে বলে আমি বিশ্বাস করি।তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

অভিভাবকহীন সুমিরকে বিদ্যালয়ের ভর্তি,অভিভাবক হলেন পৌর মেয়র ছানু

আপডেট সময় : ০২:০১:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৩
print news

মোঃ কবির হোসেন, জামালপুরঃ

বাবা মা এর বিবাহ বিচ্ছেদের শিকার জামালপুরের শিশু সুমির। বিচ্ছেদের পর আলাদা সংসার করছেন তার মা-বাবা। সুমির থাকছিল তার নানির কাছে। শেষ পর্যন্ত নানী দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে তার দায়িত্ব নিজের হাতে নেন জামালপুর পৌরসভার মেয়র ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানুয়ার হোসেন ছানু।

সেই সুমিরকে আজ বুধবার ( ২৫ জানুয়ারি) সকালে শহরের ২ নং পাথালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করান।

পৌর মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু নিজে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে অভিভাবকের জায়গায় নিজের নাম লিখেন। আজ থেকে সুমিরের অফিসিয়ালি অভিভাবক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন ছানু।

জানা যায়, জামালপুর শহরের পশ্চিম ফুলবাড়িয়া গত ১১ জানুয়ারি নানা বাড়ি থেকে হারিয়ে যায় সুমির। পরে তাকে খুঁজে পান শহরের ভ্যানগাড়ি চালক জুয়েল মিয়া। তিনি শিশু সুমিরকে ৯ দিন তার কাছে রেখে মঙ্গলবার সকালে সুমিরের নানীর কাছে সুমিরকে ফিরিয়ে দিতে যান। কিন্তু অভাবের সংসারে নাতিকে নিতে অস্বীকার করেন ফরিদা।

পরে ভ্যানচালক জুয়েল মিয়া শিশুটিকে নিয়ে পৌর মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানুর কাছে নিয়ে যান। শিশু সুমিরের এই পরিণতি শুনে মর্মাহত হোন মেয়র। পৌর মেয়র ছানু নিজেই শিশুটির দায়িত্ব নেন।

এ বিষয়ে মানবাধিকারকর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, শিশুটির দায়িত্ব নিয়ে মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু মানবতার উজ্জ্বল নজির গড়েছেন। মেয়রের মতো এভাবে দায়িত্বশীল লোকজন যদি কুড়িয়ে পাওয়া বা হারিয়ে যাওয়া পথশিশুদের পাশে দাঁড়ান, সেটা সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এ বিষয়ে জামালপুর পৌরসভার মেয়র ছানুয়ার হোসেন ছানু বলেন, মহান আল্লাহ সকল শিশুর হেফাজতকারী। আমি সুমিরের জীবন কাহিনি শুনে দায়িত্ব নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। তাকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলবো। একদিন বড় হয়ে শিশু সুমিরই অবহেলিত শিশুদের পাশে দাঁড়াবে, সামাজিক ও মানবিক কাজ করে সমাজে আলো ছড়াবে বলে আমি বিশ্বাস করি।তার সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।