ঢাকা ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সন্তান হারিয়ে ৫০ দিন পর কক্সবাজার ছাড়ল নিউজিল্যান্ডের পরিবার হবিগঞ্জে বেওয়ারিশ কুকুরের কামড়ে নারী ও শিশুসহ আহত ৪৫ ওমর সানী: পরিবার ও শিল্পীদের নিয়ে মিথ্যা তথ্যের প্রতিবাদ, আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পদত্যাগ করিনি, সুস্থ হয়ে চুয়েটে ফিরব: উপাচার্য ড. শেখ শরীফুল হাসপাতাল থেকে কারাগারে ফিরলেন সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু রাজধানীতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ কালীগঞ্জে দুই রেলক্রসিংয়ে নিরাপত্তাহীনতায় হাজারো মানুষ আটঘরিয়ায় ১৭ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সম্পন্ন বাংলাদেশে কোনো ফ্যাসিস্টের জায়গা হবে না: আমানউল্লাহ আমান সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি ও পাচারের প্রতিবাদে উত্তাল দেশ

দিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে যাচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, থাকবে সচিবের নেতৃত্বাধীন দল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের জোট বিমসটেকের প্রতিষ্ঠার প্রায় তিন দশক পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। আগামী মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বসতে যাওয়া এই আঞ্চলিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেবে।

ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাংলাদেশ ছাড়া জোটের অন্য ছয়টি সদস্যদেশেরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। মন্ত্রী পর্যায়ের এই মূল বৈঠকের আগে ১২ অক্টোবর প্রথম দিনের আলোচনায় বসবেন সদস্যদেশগুলোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। বিমসটেক সচিবালয় ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে, তার আগের দিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পর্যায়ের বৈঠক পরিচালনা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব গোবیند মোহন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি না যাওয়ার নেপথ্যে দুদেশের বিদ্যমান সম্পর্কের টানাপোড়েন কাজ করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও অংশ নেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জোটের বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ ওই আমন্ত্রণ পেলেও সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছিল, এটি দ্বিপক্ষীয় বা একক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেক সভাপতি হিসেবে পাঠানো নিমন্ত্রণ ছিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ৪ অক্টোবর বিমসটেক সচিবালয়ে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর না যাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত হয়। ওই চিঠিতে ১২ ও ১৩ অক্টোবরের সম্মেলনের জন্য চার সদস্যের যে প্রতিনিধিদলের তালিকা পাঠানো হয়, তাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ছিল না। পরবর্তীতে ৫ অক্টোবর সদস্যদেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিমসটেক সচিবালয়ের একটি জরুরি চিঠিতে জানানো হয়, ২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন চাওয়ার পর ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ এবং ৫ অক্টোবরের মধ্যে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা তাদের প্রতিনিধিদলের নাম পাঠিয়েছে। বাকি তিন দেশ মিয়ানমার, নেপাল ও থাইল্যান্ডকে দ্রুত নাম পাঠানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হয়।

আসন্ন এই সম্মেলনে ভুটানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুংতেন দর্জি, মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল কো কো ও, নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং, শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দনা আবেরত্নে এবং থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসাক থংস্রি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার, সন্ত্রাসবাদ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া মানব পাচার, মাদক ও এর রাসায়নিক চোরাচালান, অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

এর পাশাপাশি গত ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আয়োজিত বিমসটেকের সন্ত্রাসবাদ দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধবিষয়ক যৌথ কার্যকরী দলের একাদশ বৈঠকের রিপোর্ট ও সুপারিশগুলোও পর্যালোচনার তালিকায় থাকছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুহেল এজাজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সাতটি দেশের প্রতিনিধিরাই যোগ দিয়েছিলেন, যেখানে প্রচলিত ও অপ্রচলিত নানা নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় আইনগত ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে যাত্রা শুরু করা বিমসটেকের সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত। ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ জোটটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩০ ও ৩১ আগস্ট নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে। ওই কাঠমান্ডু ঘোষণায় সদস্যদেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকারের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠক অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২০তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এর ধারণাপত্র অনুমোদিত হওয়ার পর প্রায় দেড় বছর পর দিল্লিতে চূড়ান্ত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

দিল্লিতে বিমসটেক বৈঠকে যাচ্ছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, থাকবে সচিবের নেতৃত্বাধীন দল

আপডেট সময় : ০৯:২৪:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের সাত দেশের জোট বিমসটেকের প্রতিষ্ঠার প্রায় তিন দশক পর প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক। আগামী মঙ্গলবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বসতে যাওয়া এই আঞ্চলিক সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্যের প্রতিনিধিদল বৈঠকে অংশ নেবে।

ঢাকা ও নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে, বাংলাদেশ ছাড়া জোটের অন্য ছয়টি সদস্যদেশেরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিংবা প্রতিমন্ত্রীরা বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন। মন্ত্রী পর্যায়ের এই মূল বৈঠকের আগে ১২ অক্টোবর প্রথম দিনের আলোচনায় বসবেন সদস্যদেশগুলোর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা। বিমসটেক সচিবালয় ও দিল্লির কূটনৈতিক সূত্রে জানা যায়, মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অন্যদিকে, তার আগের দিন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পর্যায়ের বৈঠক পরিচালনা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রসচিব গোবیند মোহন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দিল্লি না যাওয়ার নেপথ্যে দুদেশের বিদ্যমান সম্পর্কের টানাপোড়েন কাজ করছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন সরকারের একাধিক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ অধিবেশনেও অংশ নেননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জোটের বর্তমান সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশ ওই আমন্ত্রণ পেলেও সরকার স্পষ্ট করে জানিয়েছিল, এটি দ্বিপক্ষীয় বা একক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, বিমসটেক সভাপতি হিসেবে পাঠানো নিমন্ত্রণ ছিল।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ৪ অক্টোবর বিমসটেক সচিবালয়ে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক চিঠির মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর না যাওয়ার তথ্যটি নিশ্চিত হয়। ওই চিঠিতে ১২ ও ১৩ অক্টোবরের সম্মেলনের জন্য চার সদস্যের যে প্রতিনিধিদলের তালিকা পাঠানো হয়, তাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম ছিল না। পরবর্তীতে ৫ অক্টোবর সদস্যদেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো বিমসটেক সচিবালয়ের একটি জরুরি চিঠিতে জানানো হয়, ২ সেপ্টেম্বর মনোনয়ন চাওয়ার পর ৪ অক্টোবর বাংলাদেশ এবং ৫ অক্টোবরের মধ্যে ভুটান ও শ্রীলঙ্কা তাদের প্রতিনিধিদলের নাম পাঠিয়েছে। বাকি তিন দেশ মিয়ানমার, নেপাল ও থাইল্যান্ডকে দ্রুত নাম পাঠানোর জন্য পুনরায় অনুরোধ জানানো হয়।

আসন্ন এই সম্মেলনে ভুটানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুংতেন দর্জি, মিয়ানমারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জেনারেল কো কো ও, নেপালের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং, শ্রীলঙ্কার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চন্দনা আবেরত্নে এবং থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংসাক থংস্রি নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন। বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার, সন্ত্রাসবাদ ও আন্তসীমান্ত অপরাধ দমনে সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এছাড়া মানব পাচার, মাদক ও এর রাসায়নিক চোরাচালান, অর্থ পাচার প্রতিরোধ ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধসহ বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনার সিদ্ধান্ত রয়েছে।

এর পাশাপাশি গত ২৮ ও ২৯ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে আয়োজিত বিমসটেকের সন্ত্রাসবাদ দমন ও আন্তর্জাতিক অপরাধবিষয়ক যৌথ কার্যকরী দলের একাদশ বৈঠকের রিপোর্ট ও সুপারিশগুলোও পর্যালোচনার তালিকায় থাকছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুহেল এজাজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সাতটি দেশের প্রতিনিধিরাই যোগ দিয়েছিলেন, যেখানে প্রচলিত ও অপ্রচলিত নানা নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায় আইনগত ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালের ৬ জুন ব্যাংকক ঘোষণার মাধ্যমে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সহযোগিতার সেতুবন্ধ হিসেবে যাত্রা শুরু করা বিমসটেকের সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত। ২০২৫ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ জোটটির সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এই বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০১৮ সালের ৩০ ও ৩১ আগস্ট নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলনে। ওই কাঠমান্ডু ঘোষণায় সদস্যদেশগুলোর আইন প্রয়োগকারী ও গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর অঙ্গীকারের পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের বৈঠক অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের এপ্রিলে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ২০তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এর ধারণাপত্র অনুমোদিত হওয়ার পর প্রায় দেড় বছর পর দিল্লিতে চূড়ান্ত বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo