ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছাগলনাইয়াতে ট্রাক্টর ও সিএনজির সংঘর্ষে নিহত-১ ঢাকার ১৯ গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই ক্যামেরা চালু, দেড় হাজার মামলা রেকর্ড সোনাগাজীতে ময়লার স্তূপে কারণে অতিষ্ঠ জনজীবন মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই খুনি গ্রেফতার, রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রে বিলীন ২৫ বসতঘর, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ রংপুরে ডিবি’র অভিযানে ৩ কেজি গাঁজা উদ্ধার, মাদক কারবারি আটক-১ লালমনিরহাটে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র গুলিবিদ্ধের ঘটনায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি সহ গ্রেফতার-৪ ফতুল্লা উত্তর দেলপাড়ায় স্ত্রী ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্বামীকে নির্মম হত্যা ঘাতক স্ত্রী গ্রেফতার অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের কর্মকাণ্ড তদন্তের দাবি সংসদে, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পল্টনে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেয়ার অভিযোগ

মারুফ সরকার,স্টাফ রির্পোটার:
  • আপডেট সময় : ১০:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩ ৪২১ বার পড়া হয়েছে

পল্টনে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেয়ার অভিযোগ

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

363401867 125659597256785 6733984053766187405 n
এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

এ সময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইল ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এ সময় সাংবাদিকরা এসির কাছে যানতে জানতে যান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না। জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পল্টনে পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের মোবাইল কেড়ে নেয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৩২:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০২৩
print news

পুলিশের বিরুদ্ধে সাংবাদিকের কাছ থেকে মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন একজন সংবাদ কর্মী। বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) দুপুরের দিকে নয়া পল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই ঘটনা ঘটে। দৈনিক শেয়ার বীজ পত্রিকার নিজস্ব প্রতিবেদক সাংবাদিক বীর সাহাবী বলেন, আমি একজন সংবাদকর্মী হিসেবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দেখার জন্য বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে অন্যান্য সাংবাদিকদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে নিউজের জন্য ভিডিও করছিলাম। এমন সময় হঠাৎ ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (পেট্রোল, মতিঝিল) আব্দুল্লাহ আল মামুন এসে আমার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটি ছিনিয়ে নেন। পরে পকেটে থাকা অন্য মোবাইল ফোনটিও বের করে তিনি নিয়ে নেন।

363401867 125659597256785 6733984053766187405 n
এই সংবাদকর্মী আরও বলেন, পুলিশের এই কর্মকর্তা শেয়ার বিজ পত্রিকার লাইসেন্স আছে কি না তা জানতে চান। আমি যখন বলি শেয়ার বিজ বাংলাদেশ সরকার নিবন্ধিত একটি পত্রিকা, পরে এসি মামুন পত্রিকার লাইসেন্স দেখতে চান আর বলেন লাইসেন্স নিয়ে আসেন এরপর মোবাইল দেওয়া হবে। এখন এখান থেকে দূরে সরে যান। পত্রিকার আইডি কার্ড দেখানোর পরও তিনি মোবাইল ফেরত দিতে অপারগতা দেখিয়ে সাংবাদিকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান।

এ সময় সমকাল, মানবজমিনসহ অন্যান্য জাতীয় দৈনিকের সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে এসি মামুনকে মোবাইলে ফেরত দেওয়ার অনুরোধ জানান। মোবাইল ফেরত দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এসি মামুন আবারও এসে দ্রুত কার্যালয়ের সামনে থেকে চলে যেতে বলেন। এ সময় সাংবাদিকরা এসির কাছে যানতে জানতে যান এখানে সাংবাদিকদের দাঁড়ানো কি নিষিদ্ধ কি না। জবাবে কোনো উত্তর দেননি ওই পুলিশ কর্মকর্তা।