ঢাকা ১১:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলায় জুয়ার আসরে ডিবি পুলিশের অভিযান, ছাত্র সমাজ নেতাসহ গ্রেপ্তার ৭ শেরেবাংলা নগরে সরছে সচিবালয়, মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেল প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রী ৭টি সেনা ইউনিটকে জাতীয় পতাকা দিলেন সাভার সেনানিবাসে লিডসের মাঠে ড্র, টানা ছয় ম্যাচে জয়হীন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ পেলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সচিবালয়ে বড় রদবদল: বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে নতুন দায়িত্ব পেলেন কর্মকর্তারা মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন এবং নতুন সচিবালয়ের অনুমোদন মাঝআকাশে দরজা খুলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জরুরি অবতরণ, ঢাকায় রোগীর মৃত্যু আগামী ৭ জানুয়ারি শুরু অমর একুশে বইমেলা ২০২৭ ওয়েবসাইট ও টেলিগ্রামে মাদক বিক্রি, ভাটারায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার

রামুর মহাসড়কে চলন্ত এসি বাসে আগুন, যাত্রীদের ফেলে পালালেন চালক-সহকারী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসে চলন্ত অবস্থায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিম পাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসে আগুন লাগার পর ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রীকে ভেতরে ফেলে রেখেই চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত ও সাহসী তৎপরতায় বাসে থাকা সব যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, বাসটি চলার সময় প্রথমে ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসের ভেতর ধোঁয়া ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এই চরম বিপদের মুহূর্তেও চালক বা তার সহকারী যাত্রীদের কোনো ধরনের সতর্কবার্তা দেননি বা সহায়তার চেষ্টা করেননি। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে আতঙ্কিত যাত্রীদের একে একে নিরাপদে বের করে নিয়ে আসেন। অগ্নিকাণ্ডে আইকন পরিবহনের বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বাসের যাত্রী আবদুল আলীম জানান, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কিছু সময় পরই তারা বাসের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না এলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রামু তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক জানান, দুর্ঘটনাস্থলের অদূরেই হাইওয়ে পুলিশের একটি দল অবস্থান করছিল। আগুনের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্থানীয়দের সাথে কাঁধ মিলিয়ে যাত্রী ও তাদের মালামাল নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে একই পরিবহনের অন্য একটি বাসের ব্যবস্থা করে যাত্রীদের ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে রামু ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা ইঞ্জিনের অতিরিক্ত গরম (ওভারহিট) হওয়ার কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

রামুর মহাসড়কে চলন্ত এসি বাসে আগুন, যাত্রীদের ফেলে পালালেন চালক-সহকারী

আপডেট সময় : ১২:৫৩:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী একটি শীতাতপনিয়ন্ত্রিত (এসি) বাসে চলন্ত অবস্থায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২১ আগস্ট) দিনগত রাত ১২টার দিকে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কের রামুর কলঘর বাজারের পশ্চিম পাশে এন আলম ফিলিং স্টেশনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বাসে আগুন লাগার পর ২৫ থেকে ৩০ জন যাত্রীকে ভেতরে ফেলে রেখেই চালক ও তার সহকারী পালিয়ে যান বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত ও সাহসী তৎপরতায় বাসে থাকা সব যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ভুক্তভোগী যাত্রীদের অভিযোগ, বাসটি চলার সময় প্রথমে ভেতরে পোড়া গন্ধ পাওয়া যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাসের ভেতর ধোঁয়া ও আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এই চরম বিপদের মুহূর্তেও চালক বা তার সহকারী যাত্রীদের কোনো ধরনের সতর্কবার্তা দেননি বা সহায়তার চেষ্টা করেননি। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে বাসের জানালার কাচ ভেঙে আতঙ্কিত যাত্রীদের একে একে নিরাপদে বের করে নিয়ে আসেন। অগ্নিকাণ্ডে আইকন পরিবহনের বাসটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

বাসের যাত্রী আবদুল আলীম জানান, কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কিছু সময় পরই তারা বাসের ভেতরে আগুনের উপস্থিতি টের পান। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না এলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত বলে তিনি উল্লেখ করেন এবং স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

রামু তুলাতলি ক্রসিং হাইওয়ে থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মো. ফজলুল হক জানান, দুর্ঘটনাস্থলের অদূরেই হাইওয়ে পুলিশের একটি দল অবস্থান করছিল। আগুনের খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং স্থানীয়দের সাথে কাঁধ মিলিয়ে যাত্রী ও তাদের মালামাল নিরাপদে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে একই পরিবহনের অন্য একটি বাসের ব্যবস্থা করে যাত্রীদের ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে রামু ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. আবদুল কাদের চৌধুরী জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে যান্ত্রিক ত্রুটি কিংবা ইঞ্জিনের অতিরিক্ত গরম (ওভারহিট) হওয়ার কারণে এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din