ঢাকা ০২:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছাগলনাইয়াতে বন্দুক সহ আওয়ামী লীগ নেতা আটক যশোরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ ঢাকা-ফেনী রুটে ১ মাসে ২ দফায় ভাড়া বৃদ্ধি রূপগঞ্জে হামলার শিকার মৎস্য খামারির মৃত্যু, এলাকায় উত্তেজনা জেলা গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করছে, ফুলবাড়ী উপজেলার ৭ নং শিবনগর ইউনিয়ন প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত কুশিয়ারা এলাকায় নেশাগ্রস্ত ছেলের আগুন, ফায়ার সার্ভিস ও এলাকাবাসীর চেষ্টায় নিয়ন্ত্রণে বজ্রাঘাতে প্রাণ গেল বাবার, কোল থেকে ছিটকে প্রাণে বাঁচল শিশু সন্তান সকালে থেকে রাজধানী ঢাকাতে মুষলধারে বৃষ্টি নিউ মার্কেটে শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন গুলিতে নিহত

তরুণ নেতৃত্বে যুবসমাজের আইডল আসিফ সিরাজ রব্বানী।

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬ ১০৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বগুড়ার শেরপুর ও ধুনট অঞ্চলের তরুণ সমাজে এক উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও প্রেরণাদায়ী নাম আসিফ সিরাজ রব্বানী। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ নেতা হিসেবে। তাঁর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ইতোমধ্যেই স্থানীয় যুবসমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং শেরপুর উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক আদর্শকে সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে দলীয় অঙ্গনে বিশেষভাবে আলাদা করেছে। তাঁর নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও সমানভাবে সক্রিয় আসিফ সিরাজ রব্বানী। তিনি “একসাথে গড়ি সমৃদ্ধ শেরপুর-ধুনট” নামের একটি উন্নয়নমুখী উদ্যোগের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি এলাকার শিক্ষা উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী প্রচারণা, বেকারত্ব নিরসনে সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং সমাজের অবক্ষয় রোধে তাঁর পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পারিবারিকভাবে রাজনৈতিক আবহে বেড়ে ওঠা আসিফ সিরাজ রব্বানীর নেতৃত্বগুণ আরও দৃঢ় ভিত্তি পেয়েছে। তাঁর বাবা গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজ, যিনি শেরপুর-ধুনট এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন, এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বাবার আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও জনসেবার মনোভাব থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসিফ সিরাজ রব্বানী নিজেকেও জনকল্যাণে নিবেদিত করেছেন।
স্থানীয় তরুণদের মাঝে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন অভিভাবকসুলভ পথপ্রদর্শক হিসেবেও পরিচিত। তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বারবার ইতিবাচক চিন্তা, শিক্ষা অর্জন এবং সমাজসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে থাকেন। তাঁর ভাষায়, “একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে তরুণদের শক্তিকে সঠিক পথে কাজে লাগাতে হবে।”
স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করছেন, আসিফ সিরাজ রব্বানীর মতো উদ্যমী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব শেরপুর-ধুনট অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তাঁর হাত ধরে যুবসমাজ আরও সংগঠিত, সচেতন এবং দায়িত্বশীল হয়ে উঠছে—যা ভবিষ্যতে একটি সুসংগঠিত ও উন্নত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সততা, নিষ্ঠা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা—এই তিনটি মূল শক্তিকে ধারণ করে এগিয়ে চলা এই তরুণ নেতা ইতোমধ্যেই মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। শেরপুর-ধুনটের উন্নয়ন অভিযাত্রায় তাঁর এই অগ্রযাত্রা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

তরুণ নেতৃত্বে যুবসমাজের আইডল আসিফ সিরাজ রব্বানী।

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
print news

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বগুড়ার শেরপুর ও ধুনট অঞ্চলের তরুণ সমাজে এক উজ্জ্বল, প্রাণবন্ত ও প্রেরণাদায়ী নাম আসিফ সিরাজ রব্বানী। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন একজন প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ নেতা হিসেবে। তাঁর নেতৃত্ব, দূরদর্শিতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ইতোমধ্যেই স্থানীয় যুবসমাজের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য এবং শেরপুর উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা, তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং রাজনৈতিক আদর্শকে সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর নিরলস প্রচেষ্টা তাঁকে দলীয় অঙ্গনে বিশেষভাবে আলাদা করেছে। তাঁর নেতৃত্বে স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নেও সমানভাবে সক্রিয় আসিফ সিরাজ রব্বানী। তিনি “একসাথে গড়ি সমৃদ্ধ শেরপুর-ধুনট” নামের একটি উন্নয়নমুখী উদ্যোগের পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি এলাকার শিক্ষা উন্নয়ন, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার মতো বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে মাদকবিরোধী প্রচারণা, বেকারত্ব নিরসনে সচেতনতামূলক উদ্যোগ এবং সমাজের অবক্ষয় রোধে তাঁর পদক্ষেপগুলো ইতোমধ্যেই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
পারিবারিকভাবে রাজনৈতিক আবহে বেড়ে ওঠা আসিফ সিরাজ রব্বানীর নেতৃত্বগুণ আরও দৃঢ় ভিত্তি পেয়েছে। তাঁর বাবা গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজ, যিনি শেরপুর-ধুনট এলাকার সংসদ সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন, এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। বাবার আদর্শ, অভিজ্ঞতা ও জনসেবার মনোভাব থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে আসিফ সিরাজ রব্বানী নিজেকেও জনকল্যাণে নিবেদিত করেছেন।
স্থানীয় তরুণদের মাঝে তিনি শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, বরং একজন অভিভাবকসুলভ পথপ্রদর্শক হিসেবেও পরিচিত। তরুণদের উদ্দেশ্যে তিনি বারবার ইতিবাচক চিন্তা, শিক্ষা অর্জন এবং সমাজসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে থাকেন। তাঁর ভাষায়, “একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও আধুনিক সমাজ গড়ে তুলতে হলে তরুণদের শক্তিকে সঠিক পথে কাজে লাগাতে হবে।”
স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করছেন, আসিফ সিরাজ রব্বানীর মতো উদ্যমী ও দূরদর্শী নেতৃত্ব শেরপুর-ধুনট অঞ্চলের উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। তাঁর হাত ধরে যুবসমাজ আরও সংগঠিত, সচেতন এবং দায়িত্বশীল হয়ে উঠছে—যা ভবিষ্যতে একটি সুসংগঠিত ও উন্নত সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
সততা, নিষ্ঠা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা—এই তিনটি মূল শক্তিকে ধারণ করে এগিয়ে চলা এই তরুণ নেতা ইতোমধ্যেই মানুষের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছেন। শেরপুর-ধুনটের উন্নয়ন অভিযাত্রায় তাঁর এই অগ্রযাত্রা আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশাই করছেন এলাকাবাসী।