ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উন্নয়ন ও জনসেবার অঙ্গীকারে তরুণ নেতৃত্ব নাদিম মাহমুদ, শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী।

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬ ৩০০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তরুণ ও উদ্যমী নেতা মো: নাদিম মাহমুদ। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তাকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

মোঃ নাদিম মাহমুদ ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি ০৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে তার নেতৃত্বের পরিচয় দেন। এরপর তিনি সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তার যোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বগুড়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি জেলার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে তিনি বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করেন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা যুবদলের একজন সক্রিয় যুবনেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি নাদিম মাহমুদ সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে সক্রিয়। বিভিন্ন দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র পরিবারের সহায়তা প্রদান, শিক্ষা ও ক্রীড়া কার্যক্রমে তরুণদের উৎসাহিত করা—এসব উদ্যোগ তাকে মানুষের কাছে আরও আপন করে তুলেছে। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন বিনয়ী, সৎ ও কর্মঠ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত।
শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন, তাদের সমস্যা-সম্ভাবনার কথা শুনছেন এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। তার এই আন্তরিকতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে—ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং যুবসমাজকে কর্মমুখী কাজে সম্পৃক্ত করা। তিনি একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মো: নাদিম মাহমুদ বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের পাশে থাকার জন্য। যদি জনগণ আমাকে তাদের সেবার সুযোগ দেয়, তাহলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করবো। ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
তরুণ নেতৃত্ব, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা—এই চারটি শক্তির সমন্বয়ে মো: নাদিম মাহমুদ শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সচেতন মহলের মতে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি হতে পারেন একটি নির্ভরযোগ্য নাম।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

উন্নয়ন ও জনসেবার অঙ্গীকারে তরুণ নেতৃত্ব নাদিম মাহমুদ, শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী।

আপডেট সময় : ০৭:১২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
print news

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ বগুড়ার শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৯ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন তরুণ ও উদ্যমী নেতা মো: নাদিম মাহমুদ। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে জেলা পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠা তার দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা তাকে সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

মোঃ নাদিম মাহমুদ ছাত্রজীবনের শুরু থেকেই দেশপ্রেম, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি ০৯ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে রাজনীতিতে তার নেতৃত্বের পরিচয় দেন। এরপর তিনি সরকারি শাহ সুলতান কলেজ শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, যেখানে সংগঠনকে সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তার যোগ্যতা ও সাংগঠনিক দক্ষতার স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি বগুড়া জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি জেলার বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে তিনি বগুড়া জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করেন। বর্তমানে তিনি বগুড়া জেলা যুবদলের একজন সক্রিয় যুবনেতা হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি নাদিম মাহমুদ সামাজিক কর্মকাণ্ডেও সমানভাবে সক্রিয়। বিভিন্ন দুর্যোগে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, দরিদ্র পরিবারের সহায়তা প্রদান, শিক্ষা ও ক্রীড়া কার্যক্রমে তরুণদের উৎসাহিত করা—এসব উদ্যোগ তাকে মানুষের কাছে আরও আপন করে তুলেছে। এলাকাবাসীর কাছে তিনি একজন বিনয়ী, সৎ ও কর্মঠ ব্যক্তি হিসেবে সুপরিচিত।
শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে ব্যাপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ওয়ার্ডের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লায় ঘুরে বেড়িয়ে ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করছেন, তাদের সমস্যা-সম্ভাবনার কথা শুনছেন এবং বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দিচ্ছেন। তার এই আন্তরিকতা ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে।
তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে—ওয়ার্ডের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা রক্ষা, মাদকমুক্ত সমাজ গঠন এবং যুবসমাজকে কর্মমুখী কাজে সম্পৃক্ত করা। তিনি একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও নিরাপদ ওয়ার্ড গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
মো: নাদিম মাহমুদ বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের জন্য, মানুষের পাশে থাকার জন্য। যদি জনগণ আমাকে তাদের সেবার সুযোগ দেয়, তাহলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমার দায়িত্ব পালন করবো। ৯ নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ্য।”
তরুণ নেতৃত্ব, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সর্বোপরি সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা—এই চারটি শক্তির সমন্বয়ে মো: নাদিম মাহমুদ শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে ৯ নং ওয়ার্ডের একজন যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সচেতন মহলের মতে, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে তিনি হতে পারেন একটি নির্ভরযোগ্য নাম।