মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ে অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ১০ ডিসেম্বর এই প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ শাহজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ দেন। নির্ধারিত দিনে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে না পারায় আদালত নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেন।
এ মামলায় শেখ হাসিনা ছাড়াও আসামির তালিকায় রয়েছেন সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ওবায়দুল কাদের ও আনিসুল হক এবং সাবেক প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে সাবেক সচিব এম এ এন ছিদ্দিক, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক জলিল, উপসচিব মোহাম্মদ শফিকুল করিম এবং প্রকৌশলী মো. ফিরোজ ইকবাল, ইবনে আলম হাসান, মো. আফতাব হোসেন খান ও মো. আব্দুস সালামকে এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সিএনএস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুনীর উজ জামান চৌধুরী, পরিচালক সেলিনা চৌধুরী ও ইকরাম ইকবালও এই মামলার আসামি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে আগের বৈধ দরপত্র প্রক্রিয়া বাতিল করে কোনো প্রতিযোগিতামূলক আলোচনা ছাড়াই একক উৎসভিত্তিক টেন্ডারের মাধ্যমে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেমস (সিএনএস) লিমিটেডকে মেঘনা-গোমতী সেতুর টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। চুক্তিতে সিএনএসকে নির্দিষ্ট কোনো অঙ্কের পরিবর্তে আদায় করা মোট টোলের ১৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি পাঁচ বছরে ৪৮৯ কোটি ৪৩ লাখ ৭৩ হাজার টাকারও বেশি বিল গ্রহণ করে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
অথচ এর আগের ও পরের মেয়াদের টোল আদায়ের ব্যয়ের চিত্র ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত একই সেতুর টোল ব্যবস্থাপনায় এমবিইএল-এটিটির মোট ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। আবার ২০২২ থেকে ২০২৫ মেয়াদে একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য ইউডিসি কনস্ট্রাকশন লিমিটেড তিন বছরের চুক্তি পায় প্রায় ৬৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকায়, যা পাঁচ বছরের হিসাবে দাঁড়ায় প্রায় ১১২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।
এই তুলনামূলক খরচের হিসাব বিশ্লেষণ করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযোগ করেছে, সিএনএসকে একক উৎসভিত্তিক এই চুক্তির মাধ্যমে টোল আদায়ের দায়িত্ব দেওয়ায় সরকারের প্রায় ৩০৯ কোটি ৪২ লাখ ৪৫ হাজার ৮৯০ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনায় সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ এনে ২০২৫ সালের ১২ অক্টোবর শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে দুদক।
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় পৃথক স্থান থেকে এক নারীসহ দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায়…
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ বাড়িয়ে চূড়ান্ত গেজেট…
লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির সময়সূচি দুই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী…
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ…
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা শীতকালীন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছর সেভেন…
বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনের মহাসড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে…
This website uses cookies.