আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনকে সামনে রেখে ইরানের সঙ্গে চলমান সামরিক সংঘাতকে সীমিত রাখার কৌশল নিয়েছে ডনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মূলত প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে রিপাবলিকানদের অল্প ব্যবধানের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখতে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় অজনপ্রিয় যুদ্ধের প্রভাব এড়াতে এই গোপন ছক কষেছেন ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগীরা। সম্প্রতি রয়টার্স/ইপসোসের এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমর্থন করছেন, যেখানে ৬৩ শতাংশই এর বিপক্ষে। বিশেষ করে জ্বালানির উচ্চমূল্য নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষ বাড়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন নির্বাচনকেই সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছে।
এই কৌশল সম্পর্কে অবগত অন্তত চারজন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার আগে বড় কোনো সামরিক অভিযানে জড়াতে চায় না হোয়াইট হাউস। তবে ৩ নভেম্বরের পর সামরিক পদক্ষেপ জোরদার করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে, যদিও পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। আপাতত ট্রাম্প প্রশাসনের মূল লক্ষ্য হলো ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়িয়ে তেহরানকে আলোচনার টেবিলে এমন কিছু ছাড় দিতে বাধ্য করা, যা বিগত কয়েক মাসের সামরিক অভিযানেও অর্জন করা সম্ভব হয়নি।
হোয়াইট হাউসের একজন কর্মকর্তা এই কৌশলের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, “আমরা ইরানের ওপর চাপ বজায় রাখছি। তবে নভেম্বর আমাদের অগ্রাধিকার।” তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে এই কৌশল ইতিমধ্যে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের আশঙ্কা, যুদ্ধের মতো একটি অজনপ্রিয় ইস্যু যদি নির্বাচনী প্রচারণাকে ছাপিয়ে যায়, তবে তা রিপাবলিকানদের জন্য বড় রাজনৈতিক বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এই রাজনৈতিক কৌশলের ক্ষেত্রে বড় একটি uncertainty বা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে খোদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে। সংঘাত শুরু হওয়ার পর ট্রাম্পের ব্যক্তিগত অনুমোদনযোগ্যতার হার ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ট্রাম্প নিজেও এই মুহূর্তে সংঘাত আর বাড়াতে আগ্রহী নন। তবে দ্রুত সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের জন্য পরিচিত ট্রাম্প পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটলে যেকোনো সময় আবারও সামরিক পদক্ষেপ জোরদারের নির্দেশ দিতে পারেন।
এদিকে মার্কিন প্রশাসনের এই ‘শান্ত পরিস্থিতি’ বজায় রাখার চেষ্টা কতটা সফল হবে, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা বারবারা লিফ বলেন, ইরানের সরকার এই তথাকথিত শান্ত পরিস্থিতি নষ্ট করার যথেষ্ট কারণ দেখছে। কারণ, মার্কিন প্রশাসনের প্রকাশ্য লক্ষ্যই হলো ইরানের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানো, যা তেহরানকে এই কৌশল নস্যাৎ করতে প্ররোচিত করতে পারে।
তেলুগু তারকা নানির ক্যারিয়ারের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত যাত্রা, তার সম্পদের পরিমাণ, বিলাসবহুল গাড়ি ও…
জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কনজ্যুমারস এসোশিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)। বিপিসির…
শিল্পের সত্য ও ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে হেগেল ও মার্কসের নন্দনতত্ত্বের ভিন্নধর্মী দৃষ্টিভঙ্গি ও তাদের দর্শনের তুলনামূলক…
আওয়ামী লীগের নির্দেশে যারা অগ্নিসংযোগ ও বোমাবাজির মাধ্যমে দেশ অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে, তাদের কোনো…
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে পরিবহন ভাড়া বৃদ্ধির পাশাপাশি সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে শুরু…
রাজধানীর বনশ্রীতে পথকুকুরকে খাবার দিতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন এক তরুণী। গত মঙ্গলবার রাতে…
This website uses cookies.