ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ী এলাকায় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত দুটি লেভেল ক্রসিং দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এসব ক্রসিংয়ে নেই কোনো গেটম্যান কিংবা কার্যকর সিগন্যাল ব্যবস্থা, যার ফলে প্রতিদিন হাজারো পথচারী, যানবাহন চালক এবং শিক্ষার্থীরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। রেললাইন স্থাপনের পর থেকেই এখানে নিরাপত্তার কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
ফুলবাড়ী গ্রামের মধ্য দিয়ে তিনটি স্থানে সাধারণ মানুষের চলাচলের রাস্তা রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র একটিতে গেটম্যান থাকলেও বাকি দুটি সম্পূর্ণ অরক্ষিত। ট্রেনের হুইসেল বাজলে একটিতে গেট বন্ধ হলেও অন্য দুটিতে কোনো সতর্ক সংকেত পাওয়া যায় না। এছাড়া সিগন্যাল বোর্ডগুলো গাছের লতাপাতায় ঢাকা পড়ে যাওয়ায় চালকদের পক্ষে ট্রেন আসার বিষয়টি বোঝা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে চালক ও পথচারীরা নিজেদের সচেতনতার ওপর ভরসা করেই ঝুঁকি নিয়ে পার হন।
স্থানীয় বাসিন্দা সবুজ হোসেন জানান, দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল করলেও এখানে কোনো নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। গেটম্যান না থাকায় প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে। এছাড়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের যাতায়াতের এই গুরুত্বপূর্ণ পথটি ব্যবহার করে ঝনঝনিয়া, মাশলিয়া, কাষ্টভাঙ্গা, বেলেঘাট ও বারবাজারসহ অন্তত ছয়টি গ্রামের মানুষ। ব্যালাট ফাজিল মাদরাসা, বারবাজার কলেজ ও বিভিন্ন মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হাজারো শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন এই বিপজ্জনক পথ ব্যবহার করতে হয়।
অধ্যক্ষ মাওলানা ওলিয়ার রহমান বলেন, ফুলবাড়ী গ্রামটি অনেক বড় এবং এ গ্রামের মধ্য দিয়ে অন্তত ছয় গ্রামের প্রায় ১১ হাজার মানুষ চলাচল করেন। এ গ্রামের প্রবেশস্থলে একটি গেটম্যান রয়েছে, অপর দুটিতে কোনো গেটম্যান নেই। এ কারণে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন, কৃষকদের ফসলি ক্ষেত ও মাঠে ফসল আনা-নেওয়া, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়।
এলাকাবাসীর মতে, ব্যস্ত এই রেললাইনে দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গের প্রতিটি ট্রেন চলাচল করে। লোকাল, মালবাহী ও জ্বালানি তেলবাহী ট্রেন চলাচলের একমাত্র ভরসা এই রেললাইন। বছরের পর বছর দ্রুতগতির ট্রেন চলাচল করলেও ফুলবাড়ীর দুটি ক্রসিংকে নিরাপদ করতে রেলওয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়নি। পথচারী মুশফিকুর রহমান জানান, ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক ও এই ট্রেনলাইন দিয়ে অন্তত ছয় গ্রামের মানুষ চলাচল করেন।
মোবারকগঞ্জ রেলস্টেশন মাস্টার শাহাজান আলী জানান, গেট না থাকায় সেখানে গেটকিপার নিয়োগের সুযোগ নেই। তিনি জানান, বিকল্প হিসেবে ক্রসিংয়ের দুই পাশে সিগন্যাল বোর্ড দেওয়া আছে এবং সবাইকে সতর্কভাবে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, ওই সতর্কীকরণ বোর্ডগুলো বনজঙ্গলে ঢেকে থাকায় তা দৃষ্টিগোচর হয় না। মানুষের জীবনের নিরাপত্তার জন্য দ্রুত এখানে স্থায়ী গেট নির্মাণ ও গেটম্যান নিয়োগ দেওয়া জরুরি বলে মনে করেন এলাকাবাসী।
কক্সবাজারের উখিয়ায় ইনানী সৈকত সংলগ্ন একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৯ পর্যটক প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায়…
ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মকে সক্রিয় ভূমিকা…
মাঠের অনবদ্য পারফরম্যান্স এবং সামাজিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্পেনে মর্যাদাপূর্ণ 'প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ২০২৬'…
কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ জন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের পর স্বজনদের…
শ্রেণিকক্ষের জটিল সমীকরণ আর সুরের মূর্ছনা—এই দুইয়ের মেলবন্ধনে নিজের জীবন সাজিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.…
সিরাজগঞ্জের তাড়াশের ইসলামপুর গ্রামে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সংলগ্ন পুরনো আম ও বটগাছ রাতের আঁধারে কেটে বিক্রির…
This website uses cookies.