ময়মনসিংহ নগরে যাত্রীবাহী বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহতের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়। মামলায় রাজীব পরিবহনের অজ্ঞাতনামা চালককে আসামি করা হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনার প্রতিবাদে ও বিচারের দাবিতে জামালপুর শহরে রাজীব পরিবহনের প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ ও গায়েবানা জানাজা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এর আগে গত শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ নগরের রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। ঢাকা থেকে জামালপুরের দিকে যাওয়া রাজীব পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশায় থাকা সাত আরোহীর সবাই ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত সাতজনই জামালপুর জেলার বাসিন্দা ছিলেন। তাদের মধ্যে একই পরিবারের চার প্রজন্মের চারজন রয়েছেন। তারা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার পাঁচ বছরের ছেলে মিনান। নিহত অন্য তিনজন হলেন একই উপজেলার বীর গোবিন্দপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক মো. সুজন আলী (৪৪) এবং বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯)।
কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন সরকার জানান, শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহত সাতজনের লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্বজনেরা লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর আজ শনিবার সকালে পৃথক জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন করেন।
মা, ভাই, ভাতিজি ও নাতিকে হারিয়ে দড়িহামিদপুর গ্রামের মো. মোবারক আলী বাদী হয়ে গত শুক্রবার রাতে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। পরে রাত ১২টার পর সেটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করে পুলিশ।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ঢাকা-জামালপুর রুটে চলাচলকারী রাজীব পরিবহনের বাসগুলো অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া চলাচলের জন্য কুখ্যাত এবং এগুলো প্রায়ই দুর্ঘটনার সৃষ্টি করে। এই বাসচাপায় সাতজনের মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার রাত ১০টার দিকে জামালপুর শহরের ফৌজদারি এলাকায় রাজীব পরিবহনের গায়েবানা জানাজা এবং প্রতীকী লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন স্থানীয়রা। সেই প্রতীকী লাশের গায়ে লেখা ছিল, ‘আমি রাজীব পরিবহন, আমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করুন’। এর আগে সড়ক দুর্ঘটনার প্রতিবাদে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজীব বাস বন্ধের দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছিলেন।
কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার পরপরই বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। দুর্ঘটনার পর বাসের চালক ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যান। পলাতক চালককে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে আলোচিত শিবিরকর্মী রেজবুল হক সরকার প্লাবন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ও শ্রমিক লীগ…
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ধারাবাহিকভাবে হয়রানি ও অনলাইনে অপপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন…
বেনাপোল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহেরের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মানহানিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে…
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। প্রথম শ্রেণিতে ডিজিটাল লটারির…
বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ ইন্তেকাল করেছেন। মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার…
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় গুমানী নদীতে আয়োজিত হয়েছে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। এতে পাবনা ও সিরাজগঞ্জের…
This website uses cookies.