Header Premium (728×90)

Categories: জাতীয়

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী রায়হানের হুমকি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ

চট্টগ্রামের অপরাধ জগতের পরিচিত মুখ সন্ত্রাসী রায়হান আলমকে ঘিরে গত দেড় বছরে হুমকি ও হত্যাকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের তথ্য ও ভুক্তভোগী স্বজনদের ভাষ্যমতে, রায়হান কারাগারে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের অন্যতম ঘনিষ্ঠ সহযোগী। তার বিরুদ্ধে নগর ও জেলার বিভিন্ন থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে ১৪-১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে সাত থেকে আটটিই হত্যা মামলা বলে জানিয়েছেন নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (মিডিয়া) আমিনুর রশিদ।

রায়হানের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন মূলত একই—প্রথমে মোবাইল বা ফেসবুকের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া এবং পরবর্তীতে কয়েকদিনের ব্যবধানে হত্যার ঘটনা ঘটানো। গত বছরের ৫ নভেম্বর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় বিএনপি কর্মী সরোয়ার হোসেন বাবলা হত্যা এবং রাউজানের যুবদলকর্মী মুহাম্মদ আলমগীর আলম হত্যাকাণ্ডের মতো আলোচিত ঘটনায় তার নাম এসেছে। বাবলা হত্যার আগে তাকে মোবাইলে ‘চট্টগ্রাম শহরে বাঁচতে পারবে না’ বা ‘এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যু হবে’—এমন হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ পরিবারের। আলমগীর আলমকেও মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় গুলি করে হত্যা করা হয়।

সর্বশেষ গত মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে রায়হান পুনরায় হুমকিমূলক পোস্ট দিয়েছেন, যা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সতর্ক করেছে। পোস্টে তিনি পুরো চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ডের সামনে ‘ভয়ংকর দিন’ আসছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং কারাগারে থাকা সাজ্জাদের ‘সব অটো মাল’ সামনে এলে তারা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে বলে দাবি করেছেন। পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানিয়েছেন, রায়হানের এই পোস্ট এবং এতে দেওয়া ‘আপডেট’ সংক্রান্ত বক্তব্যকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। এদিকে, বড় সাজ্জাদ নামে পরিচিত ব্যক্তিটি রায়হান নামের কাউকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন।

প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ২২আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩৩

রায়হানের নাম এসেছে রাউজানের যুবদলকর্মী মুহাম্মদ আলমগীর আলম হত্যা মামলাতেও। গত বছরের ২৫ অক্টোবর মোটরসাইকেলে বাড়ি ফেরার সময় রাউজান পৌরসভার চারাবটতল বাজারসংলগ্ন কায়কোবাদ জামে মসজিদের সামনে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তার স্ত্রী ও সন্তান তখন পেছনের একটি অটোরিকশায় ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

Recent Posts

ইউপি নির্বাচনে প্রার্থীদের জামানত ৫ গুণ বাড়ালো ইসি

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান ও সদস্য পদের প্রার্থীদের জামানত পাঁচ গুণ বাড়িয়ে চূড়ান্ত গেজেট…

37 minutes ago

মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির নতুন সময়সূচি ঘোষণা

লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের টিকিট বিক্রির সময়সূচি দুই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সময় অনুযায়ী…

1 hour ago

নোয়াখালীতে নিম্নমানের সেতু নির্মাণ, দুই প্রকৌশলীর কৈফিয়ত তলব

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ…

1 hour ago

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে আগাম আলু চাষে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার কৃষকরা শীতকালীন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। গত বছর সেভেন…

2 hours ago

বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ

বরিশালে বিভাগীয় কমিশনার ও রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সামনের মহাসড়কে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে…

2 hours ago

সাবেক সাত এমপি ও তাদের স্বজনদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাত সাবেক সংসদ সদস্য এবং…

2 hours ago

This website uses cookies.