প্রকাশ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫: ২৭
বুধবার বঙ্গভবনে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি দেশের ব্যবসায়ী এবং প্রকৃত পর্যটকদের জন্য বর্তমানে চালু ‘ভিসা বন্ড’ ব্যবস্থাটি পর্যালোচনা করে আরও সহজ করার আহ্বান জানান।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত। জবাবে রাষ্ট্রপতি তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য ও উন্নয়ন অংশীদার এবং দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখছে।
কৃষি খাতের উন্নয়নে যুক্তরাষ্ট্রের অতীতের সহযোগিতা ও বিনিয়োগের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বিশেষ করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের কথা উল্লেখ করেন। তিনি এই খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ও সহযোগিতা আরও বাড়ানোর অনুরোধ জানান। এছাড়া দেশের জ্বালানি খাতে মার্কিন প্রতিষ্ঠান শেভরনের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি জ্বালানি খাতেও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।
রাষ্ট্রপতি বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো, স্বাস্থ্য এবং উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর শিল্প খাতে বাংলাদেশের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ও দক্ষতা হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। এছাড়া বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনার সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তবে উভয় দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে চুক্তিটিকে আরও ভারসাম্যপূর্ণ ও লাভজনক করার সুযোগ রয়েছে।
রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনার সময় রাষ্ট্রপতি বলেন, রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সহযোগিতা প্রয়োজন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত এই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন এবং সংকট সমাধানে আসিয়ান দেশগুলোর সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন।
বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সহযোগিতা বিস্তারে বিশ্বাসী। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, পারস্পরিক সম্মান ও সমতার নীতিকে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থ সুরক্ষার মাধ্যমে আগামী দিনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর ও বহুমাত্রিক করার আগ্রহ পুনর্ব্যক্ত করেন। সভায় রাষ্ট্রপতির সচিবগণ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আয়মান মো. আজমুল হোসেনকে নির্যাতন করে ভাত খাওয়া ও চুরির স্বীকারোক্তি…
বার্লিন ব্রান্ডেনবার্গ বিমানবন্দরের উত্তর রানওয়ের ওপর ড্রোন দেখা দেওয়ায় বুধবার ৪৫ মিনিটের জন্য আকাশসীমা বন্ধ…
সরকারি হাসপাতালের এক কিলোমিটারের মধ্যে নতুন করে আর কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন…
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা ঘোষণা করেছেন যে, গোলান মালভূমি সিরিয়ার ভূখণ্ড…
ভোলায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পরপরই ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ…
যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) হাজারো কর্মকর্তা ও আবেদনকারীদের বিপুল…
This website uses cookies.