বিরোধীদলের ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শনিবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, বিরোধীদল একদিকে জ্বালানি সংকটের কথা বলছে, অন্যদিকে তারাই আবার লংমার্চে বিশাল পরিমাণ তেল ব্যবহার করবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, তারা ৫ তারিখের পর লংমার্চে যে পরিমাণ পরিবহন ব্যবহার করবে, তাতে অন্তত ১ লাখ লিটার তেলের প্রয়োজন হবে। তিনি প্রশ্ন রাখেন, যদি জ্বালানির প্রকৃত সংকটই থাকে, তবে বিরোধীদল এই ১ লাখ লিটার তেল কোথায় পাবে? তার ভাষ্যমতে, নিশ্চয়ই তেলের কোনো সংকট নেই, কারণ তারা এই তেল সংগ্রহ করেই লংমার্চে অংশ নেবে।
উল্লেখ্য যে, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার গত ২৫ আগস্ট ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ করবে। তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বর থেকে যাত্রা শুরু হয়ে চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে গিয়ে কর্মসূচি শেষ হবে। এই লংমার্চে অন্তত এক হাজার গাড়ি থাকবে এবং পথে বিভিন্ন স্থানে শীর্ষ নেতাদের পথসভা করার কথা রয়েছে। এই কর্মসূচির ছয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে—গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং দলীয়করণ বন্ধ করা।
মীর শাহে আলম জানান, সরকার বিরোধীদলের শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক কোনো কর্মসূচিতে বাধা দেবে না। তবে তিনি সমালোচনার সুরে বলেন, মঞ্চের পেছনে ফ্যান চালিয়ে বিদ্যুৎ নেই বলে অভিযোগ করাটা সাধারণ মানুষের বিবেচনা করা উচিত। তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সাময়িক সমস্যার জন্য জনগণের কাছে সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং জানান যে, প্রধানমন্ত্রী সংসদে এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা তুলে ধরবেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নতুন অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা, জেলা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে এবং সাধারণ প্রতীকে অনুষ্ঠিত হবে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো নিজেদের অবস্থান ধরে রাখতে প্রার্থীকে সমর্থন দিতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশান কার্যালয়ে জেলা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের দলীয় সমর্থনে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। এছাড়া, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকার কোনো প্রভাব বিস্তার করবে না এবং নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গত ১৭ বছর দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকা ব্যক্তিরা দলীয় সমর্থনে অগ্রাধিকার পাবেন বলে জানান তিনি। তার ভাষায়, যারা মাঠে ছিলেন, মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের ভোটে জয়ী হওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে, তাদের সমর্থনের বিষয়ে দলের নির্দেশনা রয়েছে।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) প্রশাসনিক ভবনে প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর নবনিযুক্ত…
জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ অভিযোগ করেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর বিএনপি দ্বিচারিতার আশ্রয়…
ভোলার বোরহানউদ্দিনে বসতবাড়ির আঙিনায় সবজি চাষ ও বাজার সংযোগ বিষয়ে আলোর দিশারী সংস্থার উদ্যোগে আয়বর্ধনমূলক…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের সামনে গাড়িচাপায় ৭ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। অভিযুক্ত সাদমান সাকিব বিশ্ববিদ্যালয়ের…
আঞ্চলিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের মধ্যে উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো আপস করা হবে…
চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১২ দিনে দেশে ১২৯ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা গত…
This website uses cookies.