প্রশাসনের ৩১তম ব্যাচ থেকে সিনিয়র সহকারী সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে এ লক্ষ্যে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডের বেশ কয়েকটি সভা সম্পন্ন করেছে। ৩১তম ব্যাচকে নিয়মিত ব্যাচ হিসেবে বিবেচনা করে ছয় শতাধিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতির যোগ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি ৩০তম ব্যাচের বাদ পড়া কর্মকর্তারাও এই পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন। যেকোনো সময় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
প্রশাসনের শীর্ষ পর্যায়েও বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে নতুন সচিব নিয়োগের আলোচনা চলছে। মূলত চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়া এবং কিছু মন্ত্রণালয়ে পদ শূন্য থাকায় এই রদবদল আসন্ন। চুক্তিতে থাকা কোনো কোনো কর্মকর্তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হতে পারে, আবার প্রশাসন ক্যাডারের নিয়মিত জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকেও নতুন নিয়োগ দেওয়া সম্ভব।
এর আগে গত ৯ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপনে ১৭৯ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়। এর মধ্যে বিসিএস ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তারা রয়েছেন। এ ছাড়া গত মাসে ২৪তম ব্যাচের বাদ পড়া কর্মকর্তাদেরও যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। প্রশাসন ক্যাডারের ১৩৮ এবং অন্য ক্যাডার মিলিয়ে ২৪তম ব্যাচের প্রায় ১৯০ জন কর্মকর্তাকে উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব করার সুপারিশ করা হয়েছিল। সর্বশেষ অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২৪তম ব্যাচের ৮০ জনকে পদোন্নতি দিয়ে যুগ্ম সচিব করা হয়েছিল। আর ২৫তম ব্যাচের মোট ১৭০ জনের মধ্যে ৮০ জনকে বিবেচনায় নেওয়া হয়। ২৫তম ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে ৮০ জন ইতোমধ্যে উপসচিব পদে পদোন্নতি পেয়েছেন এবং তাদের অনেকে সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন, অনেকে জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি আটকে থাকা ১৫তম ব্যাচের দুজন উপসচিবকেও যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। এসব বিষয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর বক্তব্য মেলেনি।
বর্তমানে সচিব ও সমমর্যাদার পদে কর্মরত রয়েছেন ৭৯ জন, যার মধ্যে ২৩ জন চুক্তিভিত্তিক। প্রশাসনিক কারণে ১০ জন সচিবকে নিজ নিজ দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত রাখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রশাসনিক কারণে একজন সচিবকে ওএসডি করা হয়েছে, যাদের বর্তমানে কোনো দাপ্তরিক দায়িত্ব নেই। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিবের পদ নতুন সরকার আসার পর থেকেই শূন্য। চাকরির স্বাভাবিক মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ জুলাই গৃহায়ণ ও গণপূর্ত সচিব মো. নজরুল ইসলামের পদটি শূন্য হয়েছে। বদলির কারণে খালি রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের পদ। চলতি মাসে মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এ অক্টোবরে অর্থ বিভাগের সচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদারেরও অবসরে যাওয়ার কথা।
এরই মধ্যে ২৯ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. সাইদুর রহমান খান, যিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। একই দিনে সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান। তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০১৩ সালে ৩১তম ব্যাচের কর্মকর্তারা বিসিএস ক্যাডার সার্ভিসে যোগদান করেন।
গত ৯ জুলাই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে একটি প্রজ্ঞাপনে ১৭২ জনকে এবং পরে আরেক প্রজ্ঞাপনে ৭ জনকে পদোন্নতি দেওয়ার কথা জানানো হয়।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক বাসভবন গণভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি…
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে শারীরিক পরিবর্তনের পর কেয়া আক্তার নাম বদলে কাবির দেওয়ান হিসেবে নতুন পরিচয় পেয়েছেন…
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী শেখ হাসিনাকে ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণ্য…
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদর দপ্তরে আলোচনা সভা, প্রামাণ্যচিত্র…
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে সাবেক যুগ্ম…
পটুয়াখালীর দুমকিতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার…
This website uses cookies.