প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ৪৬
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্যের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) মুহাম্মদ রাশেদ কাজীর বিরুদ্ধে সাংবাদিক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক ও অসহযোগিতামূলক আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে। উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও প্রশাসনিক কাজের যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাঁর কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।
ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের অভিযোগ, উপাচার্যের বক্তব্য বা সাক্ষাৎকারের জন্য পিএসের কাছে সময় চাইলে দীর্ঘ বিলম্ব পোহাতে হয়। অনেক সময় পাঁচ থেকে সাত দিন পরের সময়সূচি দেওয়া হয়, আবার নির্ধারিত সময়ে অপেক্ষা করেও শেষ পর্যন্ত সাক্ষাৎ মেলে না। ফলে জরুরি ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দ্রুত সংবাদ প্রকাশ করা কঠিন হয়ে পড়ে। অথচ দলীয় পরিচয়ে পরিচিত কিছু শিক্ষার্থী কোনো অপেক্ষা ছাড়াই সরাসরি উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান বলে অভিযোগ উঠেছে।
শুধু সাংবাদিকরাই নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরাও একই ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। একটি সামাজিক সংগঠনের এক শিক্ষার্থী জানান, উন্নয়নমূলক কর্মসূচির বিষয়ে উপাচার্যের সাথে দেখা করতে চাইলে তাঁদের কয়েক দিন পরের সময় দেওয়া হয়। অথচ তাঁদের পরে এসেও কয়েকজন ছাত্রনেতা অনায়াসে উপাচার্যের কক্ষে প্রবেশের সুযোগ পান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের এক শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী অভিযোগ করে বলেন, উপাচার্য যতটা শিক্ষার্থীবান্ধব ও মানবিক, তাঁর পিএস রাশেদের আচরণ ততটাই উগ্র। তিনি কারও প্রতি ন্যূনতম সম্মান প্রদর্শন করেন না এবং উপাচার্যের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের দূরত্ব তৈরি করছেন। ওই শিক্ষার্থী দাবি করেন, একদিন সবার সামনে পিএস তাঁকে হেয় করে বলেন, "এটা ভিসির দপ্তর! ইসলামিক স্টাডিজ ডিপার্টমেন্টের অফিস না।"
জকসুর হল সংসদের সম্পাদক ফাতেমা তুজ জোহরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে অভিযোগ করেছেন, উপাচার্যের সাক্ষাতের সময়সূচি নিতে গিয়ে জকসু প্রতিনিধিদের রূঢ় আচরণ ও অসহযোগিতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অথচ দলীয় পরিচয়ে কেউ গেলে কোনো অপেক্ষা ছাড়াই সাক্ষাৎ পান। তিনি প্রশাসনের কাছে সবার সঙ্গে সমান ও পেশাদার আচরণের দাবি জানান। এই পোস্টের মন্তব্যে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ জিহাদ জানান, বিভাগের শ্রেণিকক্ষ সংকট ও সংস্কার বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে পিএস সহযোগিতা করেননি। বিভাগের চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে আসার কথা বলে আবেদন জমা রাখা হলেও পরে আর যোগাযোগ করা হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রবেশের ক্ষেত্রে এমন অপ্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা তৈরি করা হলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের মধ্যকার স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যাহত হয়। একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে এই যোগাযোগ সহজ, স্বাভাবিক ও পেশাদার হওয়া উচিত।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্যের পিএস মুহাম্মদ রাশেদ কাজী মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। অভিযোগের বিষয়ে আমি একটি কথাও বলতে চাই না।’
অনুরূপভাবে, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। আপনার কাছ থেকেই মাত্র শুনলাম। এখন বিষয়টি আমার নলেজে এসেছে। আমি বিষয়টি দেখব।’
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে সরকার তা সমন্বয় করতে বাধ্য হয়েছে। পরিস্থিতি…
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শিক্ষার্থীদের…
আন্দালুসের বিশিষ্ট সুফি সাধক আবু ইয়াকুব ইউসুফ ইবন ইয়াখলাফ আল-কুমির জীবন ও আধ্যাত্মিক সাধনার অনন্য…
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ও সন্ত্রাসবিরোধী বিভিন্ন মামলায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।…
ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৯১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী ও…
বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে অবস্থানকালে…
This website uses cookies.