ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম জানিয়েছেন, শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের যে গোপন তৎপরতা চলছে, তা প্রশাসন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘ফ্যাসিস্ট সরকার পতনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে।
উপাচার্য ওবায়দুল ইসলাম বলেন, এটি প্রতিহিংসা নয়, বরং অপরাধের বিচার। কেউ যদি রাষ্ট্রদ্রোহিতার সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইনের মাধ্যমে তার বিচার করবেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন একজন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ শাসনামলে শিক্ষকদের ওপর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সে সময় ভিন্নমতাবলম্বী শিক্ষকদের ওপর নজরদারি চালানো হতো। সাদা দলের সভায় আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের উপস্থিতিতে শিক্ষকরা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারতেন না। এমনকি শিক্ষকদের তালিকা করে তাদের হুমকি দেওয়া হতো।
তিনি আরও বলেন, আমরা থেমে যাইনি। কথা বলেছি, রাজপথে নেমেছি, বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছি, অবস্থান নিয়েছি এবং ছাত্রদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আজ আমরা যদি সেই বিষয়গুলো ভুলে যাই, তাহলে যারা শহীদ হয়েছেন এবং যারা ১৭ বছর ধরে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের বৈষম্যহীন সমাজের দাবিকে শিক্ষকরা নৈতিক সমর্থন দিয়েছিলেন। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেমন গণহত্যা চালিয়েছিল, ২০২৪ সালেও সরকারপ্রধান দেশের মানুষের ওপর একই ধরনের নির্যাতন চালিয়েছেন। তবে ১৯৭১ সালে আমরা রাষ্ট্র পেয়েছি, আর ২০২৪ সালে স্বাধীনতা ও পতাকার মর্যাদা রক্ষার নতুন প্রত্যয় পেয়েছি।
বর্তমান সরকারকে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ১৭ বছরের অনিয়ম ও অন্যায়ের সমাধান মাত্র পাঁচ মাসে সম্ভব নয়। নতুন বাংলাদেশে কোনো ধরনের দমন-পীড়ন বা স্বৈরাচার রাখা যাবে না। ন্যায়বিচার ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সবাইকে বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও মানবিকতার সঙ্গে কাজ…
ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা নিশ্চিত হলে জালনোটের ঝুঁকি ও চাঁদাবাজি কমে আসবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের…
দেশের গ্রামীণ অর্থনীতির প্রাণশক্তি সিএমএসএমই খাতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণপ্রবাহ আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে। প্রথম তিন…
সন্তানের অভিভাবকত্ব পেতে দীর্ঘ আইনি লড়াই ও সামাজিক প্রতিকূলতার কথা তুলে ধরলেন বাঁধনসহ চার মা।…
সাভার থানা ছাত্রদলের সহসভাপতি মনোয়ারুল বকসির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে পুলিশের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে রংপুরের পীরগাছা…
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রোস্টেট ক্যানসার হাড়সহ শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন…
This website uses cookies.