বুরো চিপ রংপুর বিভাগ:
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে, জমির ধান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দীর্ঘদিন ধরে চলা বিরোধকে কেন্দ্র করে ধান কাটার ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
কিশোরগঞ্জ সদর কেশবা তেলিপাড়া গ্রামের মৃত সাহাবুদ্দিনের ছেলে ইলিয়াছ হোসেন অভিযোগ করেন, গত ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে আমার বাড়িতে হামলা চালায়। তারা ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর, লুটপাট ও পরিবারের সদস্যদের ওপর চড়াও হয়। পরে আমি কিশোরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এ ঘটনার জের ধরে ইলিয়াছ হোসেন ১৬ সেপ্টেম্বর নীলফামারী অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এমআর-৫২৭ নং মোকদ্দমা দায়ের করেন।
জমি নিয়ে বিরোধের আরেকটি মামলা ১৪৪/১৪৫ ধারায় চলমান ছিল, যেখানে আদালত ইলিয়াস হোসেনের পক্ষে রায় দেন। অর্থাৎ আদালতের দৃষ্টিতে জমির মালিকানা ও দখল ইলিয়াস হোসেনের বৈধ।
মোকদ্দমায় উল্লেখিত অভিযোগ সুত্রে জানা যায় জমিটি উপজেলার কেশবা মৌজায় অবস্থিত। জেএল নং ১১ এর অধীনে এস এ খতিয়ান নং ৭৪ ও ৪৯১, ডিপি খতিয়ান নং ৩০৫, ৪৯৮ ও ৭৪৮, সাবেক দাগ নং ৩৫৬৩, ৩৫, ৭৬, ৫০৩ এবং হাল দাগ নং ২৩২৮, ২৬, ১৭, ২৬৯৮, ২৩৫৫— মোট ১ একর ৩৭ শতক জমি ইলিয়াস হোসেনের নামে মালিকানা ভুক্ত।
ইলিয়াছ হোসেন গনমাধ্যম কে জানান ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে ভাড়াটে লোকজন নিয়ে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রসহ জমিতে প্রবেশ করে এবং আমার রোপনকৃত ধান কেটে নিয়ে যায়। ঘটনা নিয়ে স্থানীয় গ্রামবাসীর মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামবাসীর কয়েকজন জানান,আদালতের আদেশ ও রায় অমান্য করে প্রকাশ্যে ধান কেটে নেওয়া খুবই দুঃসাহসিক ঘটনা। এতে এলাকায় আইনের শাসন নিয়ে মানুষের আস্থা নষ্ট হচ্ছে আরেকজন বলেন আদালতের পক্ষে রায় থাকা সত্ত্বেও প্রতিপক্ষ এমন কাজ করেছে।
কিন্তু প্রতিপক্ষ সেই রায় ও আদেশ অমান্য করে ফসল কেটে নিয়েছে। এতে আমরা আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি প্রাণনাশের ভয়ে আছি। তিনি দ্রুত প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান। এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার এ এসআই রতন চন্দ্র রায় গনমাধ্যম কে বলেন,৪৪/৪৫ যে ভাবে জারি করা দরকার সে ভাবে জারি করেছে এসআই জাহাঙ্গীর আলম স্যার অনি বাইরে থাকায় আমাকে পাঠিয়েছে আমি যেয়ে দেখি মেশিন দিয়ে ধান কেটে নিয়ে গেছে অপর পাঠি পরে বূষ্টি পরছে আমরা চলে আসচ্ছি।
জাহাঙ্গীর স্যার মামলার বিষয়ে টা দেখছেন এই বিষয়ে অনি দেখভাল করবেন। যেহেতু আদালতের ১৪৪/৪৫ আদেশ ও রায় অমান্য করে প্রকাশ্যে ফসল কেটে নেওয়ার এই ঘটনা কেবল ভুক্তভোগী পরিবারকে নয়, পুরো গ্রামকে আতঙ্কিত করেছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২