সিফাতুল মারুফ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
চলছে রমজান মাস। এ যেন ঈদুল ফিতরের আগমনী বার্তা। আর ঈদুল ফিতর মানেই যেন নানারকম সেমাই ও পিঠা ।আর ঈদে সেমাই খাওয়ার রীতি বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য ।এটি ঈদ উদযাপনের আনন্দকে বাড়িয়ে তোলে। এরই ধারাবাহিকতায় ঈদ উপলক্ষে রূপগঞ্জের চারিতাল্লুক গ্রামে কারিগরদের নিপুণ হাতে নানান ধরনের শৈল্পিক চাক সেমাই তৈরির হিড়িক পড়েছে।ঐতিহ্যবাহী এই সেমাই তৈরিতে বর্তমানে ৬০টি পরিবার নিয়োজিত রয়েছে। যারা প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ মণ সেমাই উৎপাদন করছেন। এই সেমাই জেলার সীমানা পেরিয়ে গাজীপুর, নরসিংদীসহ বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে।
আর এই হাতে তৈরি চাক সেমাইয়ের বিশেষত্ব হলো এতে কোনো তেল বা রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় না। যা স্বাস্থ্যসচেতন ভোক্তাদের মধ্যে এর জনপ্রিয়তা বাড়িয়েছে। স্থানীয় কারিগররা মনে করেন, সরকারি সহায়তা পেলে রূপগঞ্জের এই সেমাই একটি ব্র্যান্ড হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ নামে এক কারিগর বলেন:
ঈদ উপলক্ষে সেমাইয়ের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায়, কারিগররা সকাল-সন্ধ্যা নিরলস পরিশ্রম করছেন। তবে, আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই ঐতিহ্যবাহী সেমাই শিল্পটি বিলুপ্তির পথে। তাই, এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর স্বকীয়তা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
আর এই উদ্যোগের ফলে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সমাজের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করছে। এছাড়া, ভোক্তাদের মধ্যে স্বাস্থ্যসম্মত খাবারের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
সার্বিকভাবে, রূপগঞ্জের তেল ও রাসায়নিক পদার্থমুক্ত হাতে তৈরি সেমাই ঈদ উৎসবে একটি বিশেষ সংযোজন, যা ভোক্তাদের স্বাদ ও স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নের প্রতিফলন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২