মহেশখালীতে জিটিসিএল”র অর্থায়নে ছড়ার বাঁধ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়ম
কক্সবাজারের মহেশখালীতে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ছড়ার বাঁধ নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্ণীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল ৪ ফেব্রুয়ারি (শনিবার), দুপুরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হোয়ানক ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ছড়ার বাঁধটি যেনতেন ভাবে নির্মাণ করছেন। যাহা বর্ষার শুরুতেই ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বাঁধটির পশ্চিমে শত শত একর জমিতে চাষাবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করে স্থানীয় হাজারও কৃষকরা।
এ গুরুত্বপূর্ণ ছড়ার বাঁধ নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে মাটি মেশানো বালি, নরম কংকিট ও রঢ় ছড়া ঢালাই। এছাড়াও ছড়ার পূর্বপাশে ব্লক সহকারে কাজ করলেও পশ্চিম পাশে বালির বস্তা ছাড়া আর কিছুই দেননি।
স্থানীয় সূত্র জানা যায়, ঢালাই কাজের শুরুতেই অনিয়ম শুরু করেছে, সামনে এবং শেষে রঢ় দিয়ে ঢালাই করলেও কিন্তু মাঝখানে রঢ় দেননি। রাতের অন্ধকারে ঢালাই করেছেন। বিষয়টি কোম্পানি নিয়োগকৃত ইঞ্জিনিয়ার বিজন শীলকে অবগত করলে তিনি সরেজমিনে তদন্ত করে ভেঙ্গে, মানসম্পন্ন ঢালাই করার আশ্বাস দেন। পরে ইঞ্জিনিয়ার ঠিকাদার থেকে টাকা খেয়ে এটি ড্রয়িং এভাবে আছে বলে কাজটি শেষ করার পায়তারা করছেন।
উল্লেখ্য যে, কাজটি শেষ হওয়ায় আগেই বেশ কিছু পিলারে পাঠল দেখা যাচ্ছে, ইঞ্জিনিয়ারের বক্তব্য অনুযায়ী ঢালাই ৬ ইঞ্চি দেয়ার কথা থাকলেও তবে ২.৫/৩ ইঞ্চি ঢালাই দিয়ে কাজ প্রায় শেষে পথে।
আরও জানা যায়, এ প্রকল্পের ঠিকাদারের সাথে ইঞ্জিনিয়ার বিজন শীল জড়িত আছেন এবং তারা উভয়ে ঠিকাদারির ব্যবসা করেছেন।
ঠিকাদারের ফোরম্যান রাজি বলেন, আমরা কাজ কিভাবে করছি তা উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেছেন এবং ইঞ্জিনিয়ারের উপস্থিতিতে কাজ করা হচ্ছে। বাঁধের সামনে ব্লক দেয়ার বাজেট নাই তবে এটি মানবতার জন্য ঠিকাদারের পক্ষে থেকে কয়েকটি বলব দেয়া হয়েছে।
মোহাম্মদ অছিউর রহমান ও নাছির উদ্দিন জানান, এ প্রকল্পটি ২ কোটি বাজেট করেছে বাঁধটি নির্মাণের জন্য। ছড়ার পূর্বে-পশ্চিমে ব্লক ও ৬ ইঞ্চি ঢালাইয়ের কথা থাকলেও তা কলেনি তারা।এসব কাজ দেখে, আতঙ্কের রয়েছে স্থানীয় পান ও অমন ধান চাষিরা। গত বর্ষার মতো এবারেও যদি ভেসে যায় আমাদের ফসলি জমি, তাহলে ভিক্ষা করা ছাড়া উপায় নাই। তাই কাজটি টেকসই ভাবে নির্মাণে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়োগকৃত ইঞ্জিনিয়ার বিজন শীলের সাথে যোগাযোগ করিলে, তিনি বলেন, কাজটি ড্রয়িং অনুযায়ী শেষ হচ্ছে। এখানে কোন ধরণের ভূল নাই। তাকে ড্রয়িং দেখাতে বললে, ড্রয়িং দেখানোর এখতিয়ার নাই বলে ফোন কেটে দেয়।
দেলোয়ার হোসেন, ফেনী পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি: ফেনী জেলা পরশুরাম উপজেলার উত্তর কাউতলী বটতলায় ইসলামিয়া সিনিয়র…
ফখরুল আলম সাজু নওগাঁ জেলা বদলগাছী উপজেলা এ খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ১ শিশুকে ধর্ষণ ও…
মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় চারজন…
মোঃ রাব্বি হাসান দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এখনো বাড়ানো…
ফখরুল আলম সাজু সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় নিজ বসত ঘরে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে আরশ…
জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজস্ব প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের ১ নার্সের…
This website uses cookies.