মোঃ মকবুলার রহমান নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি:
গত নয় মাসে বাংলাদেশে গণপিটুনিতে ১৬৩ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে—এমন তথ্য জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। এই সহিংস প্রবণতা বিশেষভাবে বেড়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর থেকে, যা সমাজে বিচারহীনতা ও অনিরাপত্তার মারাত্মক ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পাঁচ মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ৯৬ জন, আর চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে নিহত হয়েছেন আরও ৬৫ জন। সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে এককভাবে ৭৪ জন মারা গেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে যখন রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ব্যাহত হয়, তখনই এ ধরনের সহিংস ঘটনা বাড়ে। অপরাধের সঠিক বিচার না হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। সম্প্রতি ঢাকার দারুসসালাম এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী সন্দেহে দুই তরুণকে পিটিয়ে হত্যা করে উত্তেজিত জনতা। জানা যায়, তার আগের দিন সেখানে পুলিশের একটি অভিযান পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।
২০১৯ সালে রাজধানীর বাড্ডায় শিশু চুরির গুজবে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা এখনো অনেকের স্মৃতিতে তাজা। তবুও এসব ঘটনার বিচার না হওয়ায় জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রবণতা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করছে।
মানবাধিকারকর্মী ও অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, বিচারহীনতা, রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণহীনতা এবং সামাজিক নিরাপত্তার অভাব—এই তিনটি কারণে দেশে মব লিঞ্চিং বাড়ছে। তারা হুঁশিয়ার করছেন, আইনের কার্যকর প্রয়োগ এবং জনসচেতনতা ছাড়া এই সহিংসতা রোধ করা সম্ভব নয়। মানবজমিনের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলায় প্রকাশিত তথ্য মতে এমনটি জানা গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২