মোঃ জাহিদুর রহিম মোল্লা রাজবাড়ী জেলা প্রতিনিধি
রাজবাড়ীতে ‘বিচারহীনতার ২৬ বছর’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে যশোরের বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনে বোমা হামলা ও হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) সকালে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী রাজবাড়ী জেলা সংসদের উদ্যোগে শহরের আজাদী ময়দান এলাকায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সমাবেশের শুরুতে যশোরে বোমা হামলায় নিহতদের স্মরণে ১ মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
সংগঠনের সহ-সভাপতি আজিজুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সমাবেশ পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এজাজ আহম্মেদ। এতে বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) রাজবাড়ী জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড আবদুস সামাদ মিয়া, নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফকীর শাহাদত হোসেন, ফরিদপুর চিনিকলের সাবেক ব্যবস্থাপক কমল কান্তি সরকার, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আবদুস সাত্তার মন্ডল, জেলা উদীচীর সাংগঠনিক সম্পাদক ধীরেন্দ্রনাথ দাস, দপ্তর সম্পাদক সুমা কর্মকার, সংগীত বিষয়ক সম্পাদক মো. আবদুল জব্বার প্রমুখ।
আলোচনা শেষে জাতীয় সংগীতসহ সংগঠন সংগীত ‘আরশীর সামনে একা একা দাঁড়িয়ে গান দিয়ে সাংস্কৃতিক পর্ব শুরু করা হয়। এরপর ‘ভয় কি মরণে, কারার ওই লৌহ কপাট, তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর’ প্রভৃতি গণসংগীত পরিবেশন করা হয়।
বক্তারা বলেন, ১৯৯৯ সালের ৬ মার্চ যশোর টাউন হল মাঠে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনের শেষ দিন বাউল গানের অনুষ্ঠানে পরপর দুই দফায় মঞ্চের নিচে শক্তিশালী বোমা হামলা করা হয়। বোমার আঘাতে শিল্পীসহ ১০ জন নিহত ও আড়াই শতাধিক মানুষ আহত হন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন নূর ইসলাম, নাজমুল হুদা, সন্ধ্যা রানী ঘোষ, ইলিয়াস মুন্সী, শাহ আলম বাবুল, বাবুল সূত্রধর, শাহ আলম, বুলু, রতন রায় ও রামকৃষ্ণ। বোমা হামলার পর দীর্ঘ ২৬ বছর অতিক্রান্ত হলেও এখনো বিচারকাজ সম্পন্ন করা হয়নি। বিচার করতে না পারার রাষ্ট্রের একটি দুর্বলতা। সেই দুর্বলতার সুযোগেই জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তাদের বিস্তার ঘটিয়েছে। ২৬ বছর ধরে যে বিচারহীনতার আবর্তে আমরা ঘুরপাক খাচ্ছি, তা পেছনে ফেলে আবার ঘটনার সঠিক তদন্ত করে তা জনসমক্ষে প্রকাশ করা ও বিচার করার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ঘোষণা করা হয়।
প্রসঙ্গত, যশোরে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর দ্বাদশ জাতীয় সম্মেলনে বোমা হামলার ঘটনায় মামলা হয়। তদন্ত শেষে ওই বছরের ১৪ ডিসেম্বর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলামসহ ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে সিআইডি আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। পরবর্তী সময়ে অভিযোগ গঠনের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তরিকুল ইসলামকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেন উচ্চ আদালত। ২০০৬ সালের ৩০ মে মামলার রায়ে সব আসামিকে বেকসুর খালাস দেন যশোরের বিচারিক আদালত।
দেলোয়ার হোসেন, ফেনী পরশুরাম উপজেলা প্রতিনিধি: ফেনী জেলা পরশুরাম উপজেলার উত্তর কাউতলী বটতলায় ইসলামিয়া সিনিয়র…
ফখরুল আলম সাজু নওগাঁ জেলা বদলগাছী উপজেলা এ খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ১ শিশুকে ধর্ষণ ও…
মোঃ ইসমাইল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় চারজন…
মোঃ রাব্বি হাসান দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি: দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর এখনো বাড়ানো…
ফখরুল আলম সাজু সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় নিজ বসত ঘরে বিদ্যুতের কাজ করতে গিয়ে আরশ…
জান্নাতুল ফাহিমা তানহা, নিজস্ব প্রতিনিধি: নেত্রকোনা জেলা মদন উপজেলায় মারুফা আক্তার (২৭) নামের ১ নার্সের…
This website uses cookies.