ম্যানচেস্টার সিটির কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর পর বর্তমানে কোচিংয়ের বাইরে সময় কাটাচ্ছেন পেপ গার্দিওলা। গত জুনে এক দশকের সফল অধ্যায়ের ইতি টেনে ক্লাবটি ছাড়েন তিনি। বিশ্বকাপে কোনো নির্দিষ্ট দলের প্রতি সরাসরি সমর্থন না থাকলেও, ফাইনালে তার দেশ স্পেন এবং সাবেক শিষ্য লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়া নিয়ে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন এই স্প্যানিশ কোচ।
রোববার দিবাগত রাতে নিউজার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের ফাইনাল। ম্যাচটি সামনে রেখে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমকে গার্দিওলা বলেন, “বিশ্বকাপে আমি সুনির্দিষ্ট কোনো দলকে সমর্থন দিইনি। তবে পছন্দের খেলোয়াড়দের প্রতি ঝোঁক ছিল। সেসব খেলোয়াড়ের দলের প্রশংসা করেছি এবং তাদের উৎসাহ দিতে পেরে আমি খুশি।”
বিশ্বকাপজয়ী দল নিয়ে সরাসরি কোনো পূর্বাভাস না দিলেও, দুই দলের শক্তির দিকগুলো তুলে ধরেছেন তিনি। গার্দিওলা উল্লেখ করেন, “যদি আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জেতে, সেখানে এমন খেলোয়াড় আছে যাদের আমি চিনি। একইভাবে ফ্রান্স, পর্তুগালের ক্ষেত্রেও একই ভাষ্য, সেখানে এমন সব খেলোয়াড় আছে যারা আমাকে মুগ্ধ করেছে।”
স্পেনের সম্ভাবনা নিয়ে আশাবাদী এই স্প্যানিশ কোচের মতে, “যদি মাঝমাঠে পেদ্রির সঙ্গে রদ্রি তার মানের যথাযথ প্রদর্শন করতে পারে, লামিন ইয়ামাল নিজের সেরা দিতে পারলে স্পেন পার্থক্য গড়ে দিতে পারবে। সাম্প্রতিক ইনজুরির কারণে ইয়ামাল শারীরিকভাবে কিছুটা পিছিয়ে আছে। তবে তার বয়স, অবিশ্বাস্য দক্ষতা ও প্রতিপক্ষের ওপর দাপুটে মনোভাব চাপ সামলে নিজেই ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারবে।”
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনার শক্তির মূল কারণ হিসেবে লিওনেল মেসির কথাও উল্লেখ করেন গার্দিওলা। তার ভাষায়, “আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন এবং মেসি তার সেরা ফর্মে আছে। যা তাদের বিবেচনায় নেওয়ার মতো সুবিধা দেবে, কারণ ও এমন একজন যে যেকোনো পরিস্থিতি বদলে দেয়।”
নিজের কোচিং ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গেও মুখ খুলেছেন গার্দিওলা। তিনি বলেন, “বার্সেলোনায় আমার শুরুটা হয়েছিল ৩৭ বছর বয়সে, এখন আমার বয়স ৫৬। আমার নতুন কিছু করতে হবে। এই মুহূর্তে আমি খুশি। একদিন অবশ্যই আমি ইতিহাদ স্টেডিয়ামে ফিরে যাব। তবে এখন আমি পর্দার আড়ালে থাকতে চাই। যেখানে আপনার আমাকে দরকার হবে, সেখানেই আমাকে পাবেন।”
ম্যানচেস্টার সিটিতে থাকাকালে ইয়ুর্গেন ক্লপের সঙ্গে তার প্রতিদ্বন্দ্বিতার স্মৃতিও তুলে ধরেন গার্দিওলা। লিভারপুলের সাবেক এই কোচকে নিজের সবচেয়ে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বী আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “ইয়ুর্গেন আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০ মিনিটেই তিনি পরিস্থিতি বদলে দিতে পারতেন, যা আমাকে পাগল করে দিত।”
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২