
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের আরলিংটনে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাজিত করে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে স্পেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে স্পেনের জয়ের মাধ্যমে ইউরোপের শক্তিশালী এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে টানা তৃতীয় জয় নিশ্চিত হলো। এর আগে ২০২৪ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনাল এবং ২০২৫ সালের ইউরোপীয় নেশন্স লিগের সেমিফাইনালেও ফ্রান্সকে হারিয়েছিল স্পেন। এই পরাজয়ের ফলে ফ্রান্সের টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে, যা এর আগে কেবল পশ্চিম জার্মানি (১৯৮২-১৯৯০) এবং ব্রাজিল (১৯৯৪-২০০২) অর্জন করতে পেরেছিল।
ম্যাচের প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের ওপর ফাউলের সুবাদে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। প্রথমার্ধের ৩০তম মিনিটে ফ্রান্স বড় ধাক্কা খায়, যখন পিঠের চোটে রক্ষণভাগের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় উইলিয়াম সালিবা মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন ম্যাকসেন্স লাক্রোয়া। পুরো প্রথমার্ধে বলের দখল ধরে রেখে স্পেন দারুণ নিয়ন্ত্রিত ফুটবল উপহার দেয় এবং কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল অলিসে ও উসমান দেম্বেলের আক্রমণগুলো কার্যকরভাবে রুখে দেয়।
এর আগে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও জয় নিয়ে ফাইনালে উঠতে পেরেছিল মাত্র দুটি দল— ১৯৯০ সালে ইতালির বিপক্ষে আর্জেন্টিনা এবং ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ক্রোয়েশিয়া। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ফ্রান্সের কোচ দিদিয়ে দেশঁ খেলোয়াড় অদলবদল করেন। আদ্রিয়েন রাবিওর বদলে মাঠে নামানো হয় মানু কোনোকে এবং পরে দেজিরে দুয়েকে মাঠে নামানো হয়। তবে স্পেনের রক্ষণভাগ ও গোলরক্ষক উনাই সিমনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সামনে ফ্রান্সের আক্রমণগুলো ব্যর্থ হয়। এরপর দারুণ এক দলীয় আক্রমণে পেদ্রো পরো গোলরক্ষক মাইক মেনিয়ঁকে পরাস্ত করে ব্যবধান ২-০ করেন।
এই জয়ের মাধ্যমে স্পেন টানা ৩৭ ম্যাচ অপরাজিত থাকার ইতালির রেকর্ডের সমকক্ষ হয়েছে এবং ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। আগামী ১৯ জুলাই নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনালে ইংল্যান্ড অথবা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে স্পেন। অন্যদিকে, ফ্রান্স এখন আগামী শনিবার ফ্লোরিডার মিয়ামি গার্ডেন্সে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে লড়াই করবে।
এর আগে এই কীর্তি গড়তে পেরেছিল শুধু পশ্চিম জার্মানি (১৯৮২ থেকে ১৯৯০) এবং ব্রাজিল (১৯৯৪ থেকে ২০০২)।ম্যাচের প্রথমার্ধে মিকেল ওইয়ারসাবালের পেনাল্টি থেকে করা গোলে এগিয়ে যায় স্পেন।
ফলে ১-০ গোলের লিড নিয়েই বিরতিতে যায় স্পেন।বিরতির পর ইতিহাসও ছিল ফ্রান্সের বিপক্ষে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২