বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে ব্রাজিলের বিপক্ষে জোড়া গোল করে নরওয়েকে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে তোলার রাতে আর্লিং হালান্ড শুধু মাঠেই আলো ছড়াননি, বরং তার জার্সির পেছনের নতুন নামটি দর্শকদের বিশেষ নজর কেড়েছে। নরওয়ের ৯ নম্বর জার্সির পেছনে এদিন লেখা ছিল 'ব্রাউট হালান্ড'। এটি কেবল কোনো সাময়িক সিদ্ধান্ত নয়, বরং নিজের মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধার এক নিঃশব্দ বহিঃপ্রকাশ।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে ক্লাব ফুটবলে তিনি সাধারণত শুধু 'হালান্ড' নামটি ব্যবহার করেন, তবে জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি এখন থেকে নিজের পূর্ণ নাম 'আর্লিং ব্রাউট হালান্ড' ব্যবহার করছেন। এই নামের মাধ্যমে তিনি তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হালান্ড এবং মা গ্রি মারিতা ব্রাউটের উত্তরাধিকার বহন করছেন। উল্লেখ্য, তার বাবা আলফ-ইঙ্গে নরওয়ের সাবেক আন্তর্জাতিক ফুটবলার ছিলেন এবং মা গ্রি মারিতা ছিলেন একজন সাবেক হেপ্টাথলিট। ফুটবল এবং অ্যাথলেটিক্স—উভয় ক্রীড়ার ঐতিহ্যই যেন তার নামের মাঝে মিশে আছে।
নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশন ২০২৫ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলোয়াড়দের পূর্ণ নাম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত কার্যকর করে। তবে হালান্ড ব্যক্তিগতভাবে বহু বছর ধরেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের পরিচয়ে 'আর্লিং ব্রাউট হালান্ড' নামটি ব্যবহার করে আসছেন। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচটিতে এই জার্সি দেখে অনেক সমর্থক একে বিশেষ উপলক্ষ মনে করলেও, আসলে এটি তার দীর্ঘদিনের পরিচয়েরই অংশ।
বিশ্বকাপের আলোয় যখন পুরো পৃথিবী তাকে কেবল একজন গোলমেশিন হিসেবে দেখছে, তখন জার্সির পেছনের 'ব্রাউট' শব্দটি মনে করিয়ে দিচ্ছে যে একজন খেলোয়াড়ের পরিচয় কেবল তার গোলসংখ্যায় নয়, বরং তার শিকড়েও নিহিত থাকে। সাফল্যের এই দীর্ঘ যাত্রায় মায়ের পরিচয়কে এভাবে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে হালান্ড এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২