
সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী অ্যান কারসনের গদ্যের বই ‘ইরোস দ্য বিটারসুইট: অ্যান এসে’ থেকে ‘বিটারসুইট’ বা ‘তিক্তমধুর’ অংশটি দৈনিক এদিন অনলাইন পাঠকদের জন্য ভাষান্তর করা হয়েছে। প্রেম কেন তিক্তমধুর হয়, সেই রহস্যের গভীরে প্রবেশ করতে আমরা অ্যান কারসনের বিশ্লেষণের আশ্রয় নিচ্ছি। যদিও মূল লেখার শিরোনাম ছিল ‘তিক্তমধু’, তবে ভাষান্তরের ক্ষেত্রে আমরা শিরোনাম নির্বাচনে কিছুটা স্বাধীনতা গ্রহণ করেছি।
প্রেমের অনুভূতিকে প্রথম ‘তিক্তমধুর’ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক কবি সাফো। যারা জীবনে কখনো প্রেমের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছেন, তাদের পক্ষে সাফোর এই বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করা প্রায় অসম্ভব। কিন্তু এই বিশেষ শব্দটির প্রকৃত অর্থ কী? সাফোর কাছে ইরোস বা প্রেমের অভিজ্ঞতা একই সঙ্গে আনন্দ এবং যন্ত্রণার এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ। এটি এমন এক দ্বৈততা বা ধাঁধা, যা অনুভব করলে মানুষের মন যেন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
প্রথম দর্শনে প্রেমের আকাঙ্ক্ষায় যে মধুরতা থাকে, তা আমরা সাফোর মতোই অনায়াসে স্বীকার করে নিই। সেই আনন্দের রূপ আমাদের চোখের সামনেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রেমের তিক্ততার দিকটি ততটা সহজে দৃশ্যমান হয় না। প্রশ্ন জাগে, যা মধুর, তা কেন একই সঙ্গে তিক্ত হতে পারে? এই দুই বিপরীত স্বাদের মধ্যে একাধিক ধরনের সম্পর্ক বিদ্যমান থাকতে পারে। কবিরা যুগে যুগে বিষয়টিকে নানা দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা করেছেন। এই সম্পর্কের সম্ভাবনাগুলো অনুসন্ধানের জন্য সাফোর নিজের ভাষ্যটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২