মোজাফফর হোসেনকে কারা আশ্রয় দিয়েছে, প্রশ্ন রিজভীর
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬ ২১ বার পড়া হয়েছে

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে হত্যাকারী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফর হোসেনের গ্রেপ্তারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিচারহীনতা ও ষড়যন্ত্রের কড়া সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। মঙ্গলবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি জাকির হোসেন নান্নুর আত্মার মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে তিনি এ প্রশ্ন তোলেন। রিজভী বলেন, দীর্ঘ ৪৫ বছর পর তাকে গ্রেপ্তার করা হলো। এই ৪৫ বছর তিনি কোথায় ছিলেন এবং আন্তর্জাতিক বা দেশের ভেতরে কারা তাকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে, তা নিয়ে তিনি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। ন্যায়ের শূন্যতা একদিন নানা অর্জনে পূরণ হয়ে যাবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘ ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদের অবসান এবং শত প্রতিকূলতা জয় করে দলের শীর্ষ নেতার দেশে ফেরা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ প্রমাণ করে যে, কারো শ্রম বা আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। তিনি বিগত প্রহসনের ‘আমি এবং ডামি’ নির্বাচনের পর তৈরি হওয়া হতাশা কাটিয়ে এই বিজয়কে একটি বড় অর্জন হিসেবে আখ্যা দেন। বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, সরকার ফ্যামিলি কার্ডের পরিসর বাড়ানোসহ কৃষক কার্ড দিচ্ছে। এর সুফল যখন সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাবে, তখন জাকির হোসেন নান্নুর মতো নেতাদের আত্মদান সার্থক হবে।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর বাড়ি-ঘর ও প্রিয়জন ছাড়া প্রবাসে নিপীড়ন সহ্য করে দলের চেয়ারম্যানের দেশে ফেরা ও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ একটি অস্বাভাবিক ও বড় ঘটনা। তিনি নেতাকর্মীদের তার প্রতি পূর্ণ আস্থা রাখার আহ্বান জানান। ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বরের সিপাহী-জনতার বিপ্লবের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনগুলো এই বিপ্লবেরই সন্তান। বহুদলীয় গণতন্ত্র ও মুক্তকণ্ঠে কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই বিএনপির জন্ম এবং এর মধ্যে বিপ্লবের শক্তি অন্তর্নিহিত রয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, কেন্দ্রীয় যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।




























