তিমির চন্দ্র দাস
ক্রাইম রিপোর্টার ফেনী:
ফেনী–৩ (দাগনভূঞা ও সোনাগাজী) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও দলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় থানায় একটি ডায়েরি করা হয়েছে।
৭ ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকেলে ফেনীর দাঁগনভূঁঞা থানায় ডায়েরিটি করেন মিন্টুর নির্বাচনী এজেন্ট মোহাম্মদ শামসুদ্দীন।
দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) উল্লেখ করা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টায় দাঁগনভূঁঞা উপজেলার জায়লস্কর ইউনিয়নে ফেনী–৩ আসনের জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিকের নির্বাচনী প্রচারণায় জামায়াত নেতা মেজবাহ উদ্দিন ধানের শীষের প্রার্থী মিন্টুকে উদ্দেশ করে হুমকি দিয়েছেন, ধানের শীষের প্রার্থীকে এ রকম আরও বিভিন্ন ভাবে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রতিনিয়ত হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে, এতে করে প্রার্থী জীবনের নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন।
জানতে চাইলে জামায়াত নেতা মেজবাহ উদ্দিন বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে আমি একটি রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছি, এখানে এটিকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে নেওয়ার কিছু নেই, আমি যা বলেছি, আপনারা ভিডিওতে বক্তব্যটি শুনতে পারেন, এটি অনলাইনে পাওয়া যাবে, আমার বিরুদ্ধে জিডি করে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নষ্ট করা হচ্ছে, পুলিশকে টাকা খাইয়ে বিএনপির প্রার্থী জিডি করেছেন।
দাঁগনভূঁঞা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ ফয়জুল আজীম নোমান ধানের শীষ প্রার্থীর পক্ষে তাঁর এজেন্ট জিডি করেছেন বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, তিনি বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জামায়াত প্রার্থীকে নোটিশ, এদিকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপালনকারী যুগ্ম জেলা জজ (ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল) সাজ্জাতুন নেছা এ নোটিশ দেন।
নোটিশে বলা হয়েছে, জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তাঁর নামের পূর্বে ডা. পদবি ব্যবহার করছেন, কিন্তু তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় ডা. পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, এ ছাড়া এম বি বি এস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
নোটিশে মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন ওরফে মানিককে ৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে উপস্থিত হয়ে লিখিত ভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিনকে মুঠোফোন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে একাধিক বার কল করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক বিভাগ : হোসেন মঞ্জিল, ৬/১, ধলপুর, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা-১২০৪, বাংলাদেশ। সাব-হেড অফিস: টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২