
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহার করে কর্ণাটকের সচিবালয় ভবন 'বিধান সৌধ' বোমা মেরে উড়িয়ে দেয়ার ভিডিও তৈরির অভিযোগে হযরত আলী নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। বিহারের বাসিন্দা ২৫ বছর বয়সী এই যুবক গত কয়েক মাস ধরে বেঙ্গালুরুতে দিনমজুর পাইপফিটার হিসেবে কাজ করছিলেন।
গত ২০শে অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, এক ব্যক্তি বন্দুকের ট্রিগার টানার মতো অঙ্গভঙ্গি করছেন এবং এর পরপরই একটি বিস্ফোরণে বিধান সৌধ ভবনটি ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে 'ঔহী শরহম ঐম' নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে শেয়ার করা হয়েছিল এবং এর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছিল যে ভবনটি উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং নেটিজেনরা বেঙ্গালুরু পুলিশকে ট্যাগ করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান। পরবর্তীতে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করে দেয়া হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, বাস্তবে সেখানে কোনো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেনি এবং ভিডিওটি সম্পূর্ণ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং ঘটনার উদ্দেশ্য জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন যে, বিধান সৌধের মতো একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত সরকারি ভবন, যেখানে কর্ণাটক বিধানসভা অবস্থিত, তা নিয়ে এমন বানোয়াট ভিডিও তৈরি ও প্রচার জনমনে আতঙ্ক ছড়াতে পারে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে বিভ্রান্তিকর ও হুমকিমূলক ভিডিও তৈরিতে এআই-এর অপব্যবহারের বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২