
শনিবার সকালে আকস্মিক রাজধানী পরিদর্শনে বের হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ৯টা ১০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা ৪১ মিনিট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টায় তিনি রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসিক এলাকাসহ মোট ১৩টি স্পট ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনের সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবার মান, পরিচ্ছন্নতা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনের শুরুতে তিনি উত্তরার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন এবং সাতদিনের মধ্যে হাসপাতালের পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতার উন্নয়নে সময় বেঁধে দেন। এরপর তিনি রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ, পাইকপাড়া স্টাফ কোয়ার্টার এবং সরকারি বাঙলা কলেজ ঘুরে দেখেন।
আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের সময় সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামকে তার কক্ষে ধূমপান করতে দেখেন প্রধানমন্ত্রী। একইসঙ্গে কক্ষটি অপরিচ্ছন্ন থাকায় তিনি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ডা. রফিকুল ইসলামকে তাৎক্ষণিক সাময়িক বরখাস্তের নির্দেশ দেন। হাসপাতালটির টয়লেটের নোংরা পরিবেশ দেখে দায়িত্বরত কর্মকর্তার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী প্রশ্ন রাখেন, 'আপনি নিজে কি এই টয়লেট ইউজ করবেন?'
আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কোয়ার্টারের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে অসন্তোষ প্রকাশ করে পুরো এলাকা পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করতে কর্তৃপক্ষকে দুই সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেন তিনি। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও শিশুরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালে তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দেন। পরিদর্শনকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।
নিজের প্রাক্তন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, তোমরা গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ২৪-এর আন্দোলন সফল করেছিলে। এটা কি কোনো একক দল করেছিল? সবাই মিলে করেছিল, তাই না? তিনি বলেন, তরুণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব, সেটি ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। তবে শুধু আন্দোলন করলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না, দেশ পুনর্গঠনেও ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি তরুণদের জন্মদিনে গাছ লাগানো এবং পরিবেশ রক্ষায় সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। ডেঙ্গু প্রতিরোধে রাজউক উত্তরা মডেল কলেজে বিএনসিসি ও স্কাউট সদস্যদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এছাড়া মিরপুর-১০ নম্বরে হকারমুক্ত ফুটপাথ পরিদর্শনকালে পথচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং একজনের অনুরোধে নিজেই সেলফি তুলে দেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২