
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে জামাল হাওয়ার্ড (৪৬) নামে এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দির দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যায় হান্টসভিলের স্টেট কারাগারে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। গত সপ্তাহে টেনেসিতে ক্রিস্টা পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের একটি ব্যর্থ চেষ্টার পর এটিই দেশটিতে প্রথম সফল মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা। সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩ মিনিটে হাওয়ার্ডকে মৃত ঘোষণা করা হয়।
এর আগে জামাল হাওয়ার্ডের আইনজীবীরা তার মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করার জন্য আদালতে জোর আবেদন জানিয়েছিলেন। তারা যুক্তি দেন, গত সপ্তাহে ক্রিস্টা পাইকের ক্ষেত্রে যে প্রাণঘাতী ওষুধ ব্যবহার করা হয়েছিল, টেক্সাস কর্তৃপক্ষ হাওয়ার্ডের ক্ষেত্রেও একই ওষুধ ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে। এর ফলে পাইকের মতো হাওয়ার্ডের ক্ষেত্রেও ইনজেকশন প্রয়োগে জটিলতা সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে। এছাড়া টেক্সাসে মজুত থাকা ওই ওষুধের কার্যকারিতা কমে যাওয়ার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তারা। তবে আদালত তাদের এই আবেদন নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে বুধবার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টও হাওয়ার্ডের শেষ আপিলটি খারিজ করে দেয়。
হাওয়ার্ডের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দেওয়ার সময় টেনেসির ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, টেক্সাস কর্তৃপক্ষের টেনেসির পথ অনুসরণ করার বিষয়ে এত তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। পাশাপাশি তারা রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবটের কাছেও মৃত্যুদণ্ড ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন, যাতে ব্যবহৃত ওষুধ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা যায়। তবে গভর্নর অ্যাবট সেই আবেদন মঞ্জুর করতে অস্বীকৃতি জানান।
জামাল হাওয়ার্ডের এই মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল ২০০০ সালের একটি হত্যাকাণ্ডের দায়ে। সে সময় ২০ বছর বয়সী হাওয়ার্ড টেক্সাসের একটি কনিভিনিয়েন্স স্টোরে ডাকাতি করার সময় ৪২ বছর বয়সী কর্মী ভিকি সোয়ার্টআউটকে গুলি করে হত্যা করেন। এরপর তিনি দোকান থেকে এক কার্টন সিগারেট এবং ক্যাশ রেজিস্টার থেকে ১১৪ ডলার নিয়ে পালিয়ে যান।
মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঠিক আগে জামাল হাওয়ার্ডের কাছে তার শেষ কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চাওয়া হয়। এ সময় তিনি ভিকি সোয়ার্টআউটের পরিবারের সদস্যদের কাছে ক্ষমা চান, যারা সাক্ষী কক্ষে বসে এই দণ্ড কার্যকর হওয়া দেখছিলেন। হাওয়ার্ড বলেন, "আমি আশা করি, আপনারা আমার ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ করবেন এবং আমাকে ক্ষমা করবেন। যা ঘটেছে, তার জন্য আমি দুঃখিত। আশা করি, একদিন আপনারা আমাকে ক্ষমা করতে পারবেন।"
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২