Header Premium (728×90)

ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্ন

দিল্লিতে ১২ থেকে ১৩ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলন। বহুমুখী ভূরাজনীতি, পরিবর্তিত বিশ্বব্যবস্থা এবং বৈশ্বিক দক্ষিণের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের এই সময়ে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চে আমন্ত্রণ পেয়েও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি জাতীয় স্বার্থের বিচারে গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে। এই সম্মেলনে ব্রিকসের ১১টি সদস্য রাষ্ট্র ছাড়াও জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন। এমনকি যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও রাশিয়া ও ইরানের প্রেসিডেন্টরা সরাসরি এই সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন, যা এই আয়োজনের বৈশ্বিক গুরুত্বকে স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের অনুপস্থিতি এটাই নির্দেশ করে যে, এই কূটনৈতিক তাৎপর্য কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে ঢাকা যথেষ্ট সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারেনি।

‘সবার আগে বাংলাদেশ’—এই দর্শনের ঘোষণা দেওয়া বর্তমান সরকারের কাছ থেকে প্রত্যাশা ছিল জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়ার। তবে বাস্তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বহুপক্ষীয় কূটনৈতিক সুযোগে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি সেই ঘোষিত দর্শনের সঙ্গে নীতিগত অসামঞ্জস্যের প্রশ্ন তৈরি করেছে। মুখে দেশের স্বার্থ রক্ষার কথা বলা হলেও, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বার্থ কতটা সুরক্ষিত হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এর আগে গত ৪ঠা আগস্ট ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছিলেন যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি পৃথক আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর একটি ছিল ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারত সফরের দ্বিপক্ষীয় আমন্ত্রণ। অন্যটি ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বিমসটেকের (BIMSTEC) বর্তমান চেয়ার হিসেবে ১২ ও ১৩ই সেপ্টেম্বরের ব্রিকস আউটরিচ সেশনে (BRICS Outreach Session) অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ। ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, আসিয়ান বা বিমসটেকের মতো আঞ্চলিক সংগঠনের নেতৃত্বদানকারী রাষ্ট্র বা সংস্থাকে ব্রিকস আউটরিচ সেশনে আমন্ত্রণ জানানো তাদের একটি প্রচলিত রীতি।

তবে গত ১০ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানান, প্রধানমন্ত্রীকে ব্যক্তিগতভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি, বরং বিমসটেক চেয়ারকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর বহুপক্ষীয় কোনো সফর হতে পারে না এবং দ্বিপক্ষীয় সফর একটি উপযুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নাকচ করে দেন।

এখানেই মূল প্রশ্নটি সামনে আসে। একজন প্রধানমন্ত্রী একই সঙ্গে তার দেশের সরকারপ্রধান এবং একটি আঞ্চলিক সংগঠনের চেয়ার হতে পারেন, তাই তার কাছে আসা দুটি আমন্ত্রণের প্রাতিষ্ঠানিক চরিত্র ভিন্ন হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু ব্রিকস যখন বৈশ্বিক অর্থনীতি, বাণিজ্য ও ভূরাজনীতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়েছে, তখন আমন্ত্রণের প্রকৃতি নিয়ে আপত্তির কারণে পুরো সুযোগটি হাতছাড়া করা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের জন্য কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

ব্রিকস কোনো সামরিক জোট বা ন্যাটোর মতো নিরাপত্তা কাঠামো নয়। এটি মূলত উদীয়মান ও উন্নয়নশীল রাষ্ট্রগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম। এই জোটের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা ও মতপার্থক্য রয়েছে। যেমন ভারত ও চীনের মধ্যে কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকা সত্ত্বেও তারা একই মঞ্চে আলোচনা করছে। আবার ভারত ব্রিকসের সদস্য হয়েও পশ্চিমা বিশ্বের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রাখছে। ২০২৬ সালের এই সম্মেলনেও ব্রিকসের অভ্যন্তরীণ মতপার্থক্য স্পষ্ট, তবে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আন্তঃসীমান্ত লেনদেন ও বহুমুখী আর্থিক ব্যবস্থার মতো বিষয়গুলোই এখানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য ব্রিকসের গুরুত্ব এখানেই নিহিত। ব্রিকসে উপস্থিতি কোনো নির্দিষ্ট ভূরাজনৈতিক শিবিরে যোগ দেওয়া বোঝাত না। বরং ভারত, চীন, রাশিয়া, ইরান, উপসাগরীয় রাষ্ট্র, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকাসহ বিভিন্ন পরাশক্তির সঙ্গে একই সময়ে যোগাযোগের বড় সুযোগ তৈরি হতো। তাছাড়া বাংলাদেশ ২০২১ সাল থেকেই ব্রিকস-প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্য। অবকাঠামো অর্থায়ন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, বাণিজ্য ও উন্নয়ন অর্থায়নের মতো বিষয়গুলো বাংলাদেশের বাস্তব অর্থনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে যুক্ত। ফলে ব্রিকসের সঙ্গে যোগাযোগ কোনো নতুন রাজনৈতিক পরিচয় গ্রহণ নয়, বরং ইতিমধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে জাতীয় স্বার্থে আরও কার্যকর করার প্রশ্ন ছিল।

বর্তমানে বাংলাদেশ বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ফলে ব্রিকস আউটরিচ সেশনে বাংলাদেশের উপস্থিতি শুধু জাতীয় প্রতিনিধিত্বের সুযোগ ছিল না, বরং বিমসটেকের স্বার্থও সেখানে তুলে ধরার সুযোগ ছিল। বঙ্গোপসাগর, আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য, জ্বালানি, সামুদ্রিক সহযোগিতা, নীল অর্থনীতি এবং সরবরাহব্যবস্থা—এসব বিষয়ে বিমসটেকের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক অবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশ সেখানে উপস্থিত থাকলে বলতে পারত যে, বঙ্গোপসাগর শুধু বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানা নয়, এটি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সংযোগের একটি প্রধান কেন্দ্র। বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশ সেখানে উপস্থিত হলে তা ভারতের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ হতো না, বরং বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক একটি আঞ্চলিক কাঠামোর নেতৃত্বদানকারী রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের নিজস্ব অবস্থানই প্রকাশ পেত।

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে ব্রিকসের সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক বাড়ানোর আগ্রহ দেখিয়ে এসেছে। সেই বাস্তবতায় আউটরিচ সেশনটি ছিল সদস্যপদ বা ভবিষ্যৎ অংশীদারিত্ব নিয়ে আলোচনা, সমর্থন সৃষ্টি এবং কূটনৈতিক অবস্থান তুলে ধরার একটি বড় সুযোগ। কিন্তু বাংলাদেশ নিজেই এই কূটনৈতিক পরিসর তৈরির সুযোগটি ব্যবহার করল না। নতুন সরকারের প্রথম ভারত সফরকে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিকভাবে বোধগম্য হলেও, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় কূটনীতি কখনো পরস্পরের বিকল্প নয়। দ্বিপক্ষীয় ভারত সফর পরে করা সম্ভব, কিন্তু ১২ থেকে ১৩ই সেপ্টেম্বরের এই নির্দিষ্ট বহুপক্ষীয় মুহূর্তটি আর ফিরে আসবে না।

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় কৌশলগত সম্পদ হলো তার ভূগোল। বঙ্গোপসাগর, ভারত মহাসাগর, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগ এবং বিমসটেক অঞ্চলের কেন্দ্রীয় অবস্থান বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক অবস্থান দিয়েছে। তবে ভূগোল নিজে কোনো কূটনৈতিক শক্তি নয়, একে শক্তিতে পরিণত করতে হয় সক্রিয় কূটনীতির মাধ্যমে। যে সংযোগব্যবস্থা ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে উঠছে, সেখানে অন্যরা বাংলাদেশের ভূগোল নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে—এটি হতে পারে না। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশ মূলত একটি বৃহৎ বহুপক্ষীয় মঞ্চে সরাসরি উপস্থিতির সুযোগ, বিমসটেক চেয়ার হিসেবে আঞ্চলিক স্বার্থ তুলে ধরার সুযোগ এবং ব্রিকস সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ হারিয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশের সবচেয়ে জরুরি কাজ হলো কূটনৈতিক ক্ষতি সীমিত করে দ্রুত কৌশলগত ভারসাম্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। প্রথমত, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ককে নতুন বাস্তবতায় পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিতে হবে এবং দ্রুত একটি মর্যাদাপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সফরের মাধ্যমে সমতা ও সার্বভৌম মর্যাদার ভিত্তিতে অমীমাংসিত বিষয়গুলো সংলাপে আনতে হবে। দ্বিতীয়ত, বিমসটেকের চেয়ার হিসেবে বাংলাদেশের সক্রিয় নেতৃত্ব নিশ্চিত করতে হবে এবং আঞ্চলিক সংগঠনটির স্বার্থকে আন্তর্জাতিক পরিসরে দৃশ্যমান করতে হবে। তৃতীয়ত, ব্রিকসের সদস্য ও অংশীদার রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পৃথকভাবে উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়াতে হবে, যাতে একটি সম্মেলনে অনুপস্থিতি যেন বৃহত্তর কূটনৈতিক যোগাযোগের অনুপস্থিতিতে পরিণত না হয়। চতুর্থত, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে “ভারত বনাম চীন” কিংবা “পশ্চিম বনাম বৈশ্বিক দক্ষিণ”—এই কৃত্রিম দ্বৈততার বাইরে রাখতে হবে। কূটনীতির ভিত্তি হতে হবে বহুমুখী সম্পর্ক ও কৌশলগত স্বায়ত্তশাসন, যেখানে জাতীয় স্বার্থই হবে সম্পর্ক নির্ধারণের প্রধান মাপকাঠি। পঞ্চমত, আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে একটি সুস্পষ্ট নীতি প্রয়োজন, যাতে প্রধানমন্ত্রী কোনো কারণে যেতে না পারলে জাতীয় স্বার্থে অন্তত একজন উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকে।

“সবার আগে বাংলাদেশ”—এই দর্শনের বাস্তব অর্থ হলো জাতীয় স্বার্থনির্ভর কূটনীতি। কোনো শক্তির অনুগ্রহ হওয়া নয়, কোনো শিবিরের আনুগত্যও নয়; আবার গুরুত্বপূর্ণ কোনো আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে অকারণে নিজেকে প্রত্যাহার করাও নয়। বাংলাদেশকে সব পক্ষের সাথে সম্পর্ক রাখতে হবে, কিন্তু সিদ্ধান্ত নিতে হবে কেবল নিজস্ব জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে। ব্রিকসের মতো গুরুত্বপূর্ণ বহুপক্ষীয় পরিসরে প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতি যদি কূটনৈতিক নীতির ধারাবাহিকতায় পরিণত হয়, তবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে জাতীয় স্বার্থের ক্ষেত্রেও এর বড় মূল্য দিতে হতে পারে।

কারণ BRICS-এর ১১টি সদস্য রাষ্ট্র ছাড়াও জাতিসংঘের মহাসচিবসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ও জোটের প্রতিনিধি এই সম্মেলনে উপস্থিত হচ্ছেন।যুদ্ধের মধ্যে থাকা সত্ত্বেও রাশিয়া ও ইরানের প্রেসিডেন্ট BRICS সম্মেলনে সরাসরি উপস্থিত হয়েছেন।

অন্যটি ছিল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে BIMSTEC-এর বর্তমান চেয়ার হিসেবে ১২ থেকে ১৩ই সেপ্টেম্বরের BRICS Outreach Session-এ যোগ দেয়ার আমন্ত্রণ।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

Recent Posts

এআই-এর যুগেও নিজের অবস্থানে অনড় ‘লিপস্টিক কিং’ লি জিয়াকি

চীনের লাইভস্ট্রিম শপিং খাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত প্রসারের মুখেও নিজের অবস্থানে অনড় রয়েছেন সুপারস্টার লি…

17 minutes ago

টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের শুনানি আজ

কক্সবাজারের টেকনাফে কাউন্সিলর একরামুল হক হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ আন্তর্জাতিক অপরাধ…

29 minutes ago

যুক্তরাষ্ট্রে শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা, আলোচনায় বাণিজ্যসহ নানা ইস্যু

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। ঐতিহাসিক এই সফরে…

34 minutes ago

টি-টোয়েন্টি র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে পাকিস্তানের আবরার, পেছনে ফেললেন রশিদকে

পাকিস্তানের লেগ স্পিনার আবরার আহমেদ প্রথমবারের মতো আইসিসি টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‍্যাংকিংয়ে শীর্ষে উঠেছেন। তিনি আফগানিস্তানের…

1 hour ago

টানা সাত দিন কমল বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক বাজারে টানা সাত দিন ধরে জ্বালানি তেলের দাম কমছে। ব্রেন্ট ক্রুড ও ডব্লিউটিআই ক্রুডের…

1 hour ago

মহানবী (সা.)-এর ইনসাফ: মানবজাতির জন্য অনুপম আদর্শ

মানবজাতির জন্য ন্যায় ও সাম্য প্রতিষ্ঠার এক অনুপম আদর্শ হিসেবে মহানবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর জীবনকে তুলে…

1 hour ago

This website uses cookies.